নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই সিনিয়র প্রশাসনিক কর্মকর্তা বলেছেন, ইউক্রেনের জন্য যতটুকু সম্ভব সর্বোচ্চ শক্তিশালী অবস্থান নিশ্চিত করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। সেই লক্ষ্যেই বাইডেন প্রশাসন অগ্রসর হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর পার্লামেন্টও যদি রিপাবলিকানদের দখলে যায়, তবে সহায়তা প্রাপ্তিতে অনিশ্চয়তায় পড়তে পারে ইউক্রেন।
.png)
নির্বাচনি প্রচারণা চালানোর সময় ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, তিনি ক্ষমতায় থাকলে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করতেন না। তিনি আরো বলেছেন, ওভাল অফিসে যাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তিনি যুদ্ধ থামাতে পারবেন।
২০২৩ সাল থেকে প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাটদের আর নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই। এবার এখন পর্যন্ত ভোট গণনা পুরোপুরি সম্পন্ন না হলেও, সিনেটে ইতোমধ্যে ৫২ আসন দখলে নিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে গেছে রক্ষণশীলরা। আর প্রতিনিধি পরিষদেও রয়েছে তাদেরই আধিপত্য বিস্তারের আভাস। ফলে, কিয়েভে মার্কিন সহায়তার ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশ্লিষ্টদের কপালে পড়েছে চিন্তার ভাঁজ।
গত এপ্রিলে ইউক্রেনের জন্য নয়শ’ কোটি মার্কিন ডলার আর্থিক মূল্যের সামরিক সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র। প্রতিনিধি পরিষদে রিপাবলিকানদের আপত্তির কারণে এই উদ্যোগ সফল করতে যথেষ্ট কাঠখড় পোড়াতে হয়েছিল ডেমোক্র্যাটদের। তহবিলের ৪৩০ কোটি ডলার এখনো ছাড় করানো বাকি রয়ে গেছে। সম্পূর্ণ আর্থিক সহায়তা পেলে ইউক্রেনের সামরিক সক্ষমতা যথেষ্ট বৃদ্ধি পাবে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে রয়টার্স।
এ ছাড়া ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে ‘বিশ্বের সেরা বিক্রেতা’ (ওয়ার্ল্ড’স গ্রেটেস্ট সেলসম্যান) বলে আখ্যায়িত করেছেন ট্রাম্প। সবমিলিয়ে, সামনের বছর থেকে ইউক্রেনে মার্কিন সহায়তা থেমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।