রাজ্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসক বলেছেন, প্রচণ্ড বাতাস এবং মুষলধারে বৃষ্টিসহ দ্বীপে আঘাত হেনেছে সবচেয়ে শক্তিশালী ঝড়টি।
সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যৌথ টাইফুন সতর্কীকরণ কেন্দ্র (জেটিডাব্লিওসি) অনুসারে, কং-রে ঘণ্টায় ২০০ কিলোমিটার বেগে (১২৫ মাইল প্রতি ঘন্টা) আছড়ে পড়ে।
.png)
বুধবার রাতে এক পর্যায়ে সুপার টাইফুনটি কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়লেও গ্রীষ্মমন্ডলীয় ঝড়ের ঝুঁকি অনুসারে, ২৫০ কিলোমিটারের বেশি (১৫৫ মাইল প্রতি ঘণ্টা) বেগে ক্যাটাগরি ৪ হারিকেনের সমতুল্য শক্তিশালী ছিল। তাইওয়ানের আবহাওয়া প্রশাসন বলেছে, ১৯৯৬ সালের পর দ্বীপে আঘাত হানা সবচেয়ে বড় টাইফুন হবে কং-রে।
প্রশাসনের পূর্বাভাসক জিন হুয়াং বলেছেন, পূর্ব উপকূলে আঘাত হানার পর এটি তাইওয়ান প্রণালীর দিকে চলে যাবে। এরপর একটি দুর্বল ঝড়ে পরিণত হবে, তবে দ্বীপজুড়ে ব্যাপক বাতাসের কারণে মানুষকে ঘরে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
জানা গেছে, হতাহত এড়াতে মহা প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার সম্পূর্ণভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে গোটা দ্বীপরাষ্ট্রটি। দেশটির সব শহর ও কাউন্টিতে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়। আর্থিক লেনদেনের বাজার বন্ধের পাশাপাশি হাজারো ফ্লাইট বাতিল করা হয়।
তাইওয়ানের কেন্দ্রীয় আবহাওয়া প্রশাসন জানিয়েছে, তীব্র ঝোড়ো বাতাস ও প্রবল বৃষ্টিতে প্রায় পুরো দ্বীপ তছনছ করে দিতে পারে। এক সময় এটি সুপার টাইফুন ছিল (ঘণ্টায় ৩০০ কি.মি. বেগ), তবে কং-রে রাতারাতি কিছুটা দুর্বল হয়েছে, কিন্তু এখনো ক্যাটাগরি ৪ মাত্রার হারিকেনের মতো শক্তিশালী এটি এবং ঘণ্টায় ২৫০ কি.মি. গতিতে আঘাত হানতে পারে। দেশটির আবহাওয়া প্রশাসন জানিয়েছে, ঝড়টি ১৯৯৬ সালের পর থেকে তাইওয়ানে আঘাত হানা আকারে সবচেয়ে বড় টাইফুন হতে পারে।