কমলার সাক্ষাৎকার নেন ব্রেট বেয়ার। ব্রেট বারবার অভিবাসনের প্রসঙ্গ তোলেন, বাইডেনের পরিবর্তে প্রার্থী হিসাবে কমলা হ্যারিসের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন করেন। কমলা হ্যারিসও আগাগোড়া আক্রমণাত্মক ছিলেন। আসলে কমলা হ্যারিস রিপাবলিকানদের দিকে ঝুঁকে থাকা ভোটদাতাদের প্রভাবিত করতে চেয়েছেন।
প্রায় ৩০ মিনিটের এই সাক্ষাৎকার ছিল উপভোগ্য, কমলা ও ব্রেট সমানে এক অপরকে অস্বস্তিতে ফেলার চেষ্টা করে গেছেন। একটা সময় কমলা যখন একটা প্রশ্নের জবাব দিচ্ছেন, তখন ব্রেট কিছু বলতে যান। কমলা তখন বলেন, ‘আগে আমাকে অভিবাসন নিয়ে প্রশ্নের জবাব শেষ করতে দিন। আমি কি এই জবাব শেষ করতে পারি?’
.png)
আরেকবার কমলা উত্তেজিত তর্ক-বিতর্কের মধ্যে বলেন, ‘আমার মনে হয়, এই আলাপচারিতা যদি তথ্যের ভিত্তিতে হয়, তাহলে ভালো হয়।’
কমলা বারবার ট্রাম্পকে আক্রমণ করতে চেয়েছেন। তিনি এটাও জানাতে চেয়েছেন, তিনি প্রেসিডেন্ট হয়ে কেমন করে দেশ চালাবেন। তিনি বলেছেন, তিনি প্রেসিডেন্ট হলে বাইডেনের সময়ের নীতির নিছক অনুসরণ করবেন না। আগের সব প্রেসিডেন্টের মতো তিনিও তার জীবনের অভিজ্ঞতা, ব্যক্তিগত অনুভবকে কাজে লাগাবেন। নতুন ধারণার রূপায়ণ করবেন।
ডয়চে ভেলের ওয়াশিটনের প্রতিনিধি জেনেলে দুমালাওন মনে করছেন, ‘হ্যারিসের সাক্ষাৎকারের অনেকটা অংশ অভিবাসন নিয়ে প্রশ্ন-উত্তরের মধ্যে দিয়ে কেটেছে। ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর কাছে সবচেয়ে দুর্বল বিষয়টি নিয়ে ব্রেট বারবার প্রশ্ন করে তাকে বিপাকে ফেলার চেষ্টা করেছেন।’
জেনেলে বলেছেন, ‘কমলা বারবার বলতে চেয়েছেন, ট্রাম্পের নীতির জন্যই বেআইনি অভিবাসন হচ্ছে। একটা সময়ে সাক্ষাৎকারটা আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টায় পরিণত হয়েছে। ব্রেট বেয়ার নিজের কথাকে প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছেন। কমলা তার বিরুদ্ধে লড়ে গেছেন।’
তিনি জানিয়েছেন, ‘কমলা আসলে তার কথা বলতে চেয়েছেন এবং যারা আগে শোনেননি, তাদের কাছে পৌঁছাতে চেয়েছেন। যারা এখনও কাকে ভোট দেবেন ঠিক করতে পারেননি, তাদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছেন।’
সূত্র: ডয়চে ভেলে