রাডারের তথ্য বিশ্লেষণ করে ন্যাশনাল ঘূর্ণিঝড় সেন্টার বলছে, মিল্টন ফ্লোরিডার পশ্চিম উপকূলে সারাসোটা কাউন্টির সিয়েস্তা কি এলাকায় ভূভাগে আছড়ে পড়েছে।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ফ্লোরিডায় ২০ লাখের বেশি ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ঘূর্ণিঝড় মিল্টনের কারণে বিদ্যুতবিহীন রয়েছে।
.png)
সংবাদমাধ্যমের খবর বলছে এরইমধ্যে মিল্টন দুর্বল হয়ে ক্যাটাগরি টু ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। তা সত্ত্বেও, এটি এখনো অত্যন্ত শক্তিশালী, ওই অঞ্চলে ভারী বন্যা এবং বিপজ্জনক বাতাস নিয়ে আসছে।
এর আগে, মিল্টন ফ্লোরিডার কাছে একটি ক্যাটাগরি থ্রি ঘূর্ণিঝড় হিসেবে আছড়ে পড়েছিল। কর্মকর্তারা বলছেন, এটি রাজ্যের উপর দিয়ে অগ্রসর হওয়ার কারণে ঘূর্ণিঝড় শক্তিতে থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার খবর অনুযায়ী, হারিকেন মিল্টনের কারণে সৃষ্ট একাধিক টর্নেডোর আঘাতে ফ্লোরিডার আটলান্টিক উপকূলের সেন্ট লুসিতে প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে।
সেন্ট লুসি কাউন্টির শেরিফ কিথ পিয়ারসন স্থানীয় এবিসি নিউজ অ্যাফিলিয়েটকে বলেছেন, প্রাণহানি হয়েছে। অনুসন্ধান ও উদ্ধার দল স্প্যানিশ লেক সাইটে রয়েছে। তবে কতজন মারা গেছেন সেটা বিস্তারিত বলেননি তিনি।
হারিকেন মিল্টনের আঘাতে ফ্লোরিডায় বড় ধরনের হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে বলে আগে থেকেই আশঙ্কা করা হচ্ছে। আর্থিক ক্ষতির পরিমাণটা শত বিলিয়ান মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। যদিও ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানার আগেই প্রস্তুতি নেয়া শুরু করে রাজ্য সরকার। ইতিমধ্যে ওই রাজ্য ছেড়েছেন লাখ লাখ মানুষ।
ফ্লোরিডার গভর্নর রন ডিস্যানটিস জানান, দানবীয় এই হারিকেনের কবল থেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের বাঁচাতে নিরাপদ এলাকায় কয়েক ডজন আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। সংকটময় পরিস্থিতিতে লুটপাট ঠেকাতে সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেন, ‘এ কথা (লুটপাট) চিন্তাও করবেন না। ঘরেই থাকুন। এমন কাজ করলে পরে অবশ্যই পস্তাতে হবে।’