রিনসন নিজে একজন উদ্যোক্তা। বুলগেরিয়ায় নোরটা গ্লোবাল নামে একটি সংস্থা রয়েছে তার। নরটা গ্লোবাল নামে ঐ সংস্থাটি হাঙ্গেরির বুদাপেস্টের একটি ঠিকানায় নথিভুক্ত করা রয়েছে।
অভিযোগ, যে পেজারগুলোতে বিস্ফোরণ ঘটেছে সেগুলো ঐ সংস্থাই লেবাননে সরবরাহ করেছিল। যদিও পেজারগুলো হাঙ্গেরির একটি সংস্থা তৈরি করেছি। পেজারগুলো তৈরির প্রযুক্তি ছিল তাইওয়ানের একটি সংস্থার। কিন্তু সন্দেহভাজন ঐ পেজারগুলো কিনেছিল রিনসনের সংস্থা নরটা গ্লোবাল।
.png)
লেবাননের এই পেজার বিস্ফোরণের সঙ্গে রিনসন হোসে নামে ঐ যুবক সরাসরি যুক্ত কিনা তার প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।
লেবাননে এ হামলার পেছনে প্রাথমিকভাবে ইজরায়েলের গুপ্তচর সংস্থা মোসাদের হাত রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। পেজারগুলোর ভেতরে বিস্ফোরক ভরা ছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
ডেইলি মেইল-এ প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, যে সংস্থা লেবাননে ঐ পেজারগুলো সরবরাহ করেছিল তারাই ইজরায়েলের গুপ্তচর সংস্থা মোসাদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে পেজারগুলোতে বিস্ফোরক ভরে থাকতে পারে।
এদিকে রিনসন হোসে এ ঘটনার সঙ্গে যুক্ত নন বলে দাবি করেছেন তার আত্মীয়রা। রিনসনের এক আত্মীয় থাংকাচেন বলেছেন, আমরা নিয়মিত ফোনে কথা বলি। কিন্তু গত তিনদিন আমরা ওর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারিনি। ও খুবই সোজাসাপ্টা মানুষ এবং আমরা ওকে বিশ্বাস করি। ও এরকম কোনো কিছুর সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে না। আমাদের ধারণা ওকে ফাঁসানো হয়েছে।
রিনসন হোসের ঐ আত্মীয় জানান, ঐ যুবকের স্ত্রীর সঙ্গেও যোগাযোগ করতে পারছেন না তারা।
জানা গেছে, কয়েক বছর আগে উচ্চশিক্ষার জন্য নরওয়েতে গিয়েছিলেন রিনসন হোসে। এরপর কিছুদিন লন্ডনে থেকে ফের অসলোতে ফিরে আসেন তিনি। নিজের ব্যবসার পাশাপাশি অসলোতে কাজও করেন রিনসন। লন্ডনে রিনসনের এক যমজ ভাইও রয়েছেন।
সূত্র: এনডিটিভি