লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে ,সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর শক্ত অবস্থান থাকার রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণ উপত্যকা, বেকা উপত্যকা এবং দক্ষিণ লেবাননে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এই এলাকাগুলো হিজবুল্লাহর শক্তিশালী ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। বিস্ফোরণ হয়েছে আগের দিন নিহতদের শেষকৃত্যের স্থানেও।
লেবানিজ রেডক্রসকে উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্তত ৩০টি অ্যাম্বুলেন্স ঘটনাস্থলে নেয়া হয়েছে। এ ঘটনার পর জাতিসংঘ নিরাপত্তা কাউন্সিলের অধিবেশন ডাকা হয়েছে।
.png)
দ্বিতীয় দফা বিস্ফোরণের পর দাহিয়া এবং বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ওই এলাকাগুলোর বাসিন্দাদের মোবাইল ফোনসহ যোগাযোগের যন্ত্র থেকে দূরে থাকতে বলা হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার হিজবুল্লাহর যোদ্ধাদের কাছে থাকা পেজার (যোগাযোগ যন্ত্র) বিস্ফোরণে লেবাননে অন্তত ১২ জন নিহত হন। এতে আহত হন ২ হাজার ৮০০ জনের মতো। আহতদের মধ্যে হিজবুল্লাহর সদস্য, মেডিকেল কর্মী এবং ইরানের রাষ্ট্রদূত রয়েছেন। এই বিস্ফোরণ হয়েছে লেবাবননজুড়ে, বিশেষত দক্ষিণ লেবাননের হিজবুল্লাহ ঘাঁটিগুলোতে।
লেবাননে পরপর দুই দিন এত বড় বিস্ফোরণের ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যকে ফের অস্থিতিশীল করে তুলেছে। বিস্ফোরণের জন্য এরইমধ্যে ইসরায়েলকে দায়ী করেছে হিজবুল্লাহ। এ অবস্থায় হিজবুল্লাহর সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক কার্যত মুখোমুখী অবস্থানে আছে।