সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ‘হাশোমার ইয়োশ’ নামে একটি সংস্থা এবং নাবলুসের দক্ষিণে ইতিজার বসতির বেসামরিক নিরাপত্তা সমন্বয়ক ইতজাক লেভি ফিলান্টের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
‘হাশোমার ইয়োশ’ নিজেদের স্বেচ্ছাসেবক সংস্থা হিসেবে দাবি করে, যাদের লক্ষ্য পশ্চিমতীরে ইসরাইলি কৃষকদের সুরক্ষা দেয়া।
.png)
মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, পশ্চিমতীরে ইহুদি বসতকারীদের লাগামহীন সহিংসতা একদিকে সেখানকার জনগণের ভোগান্তি বৃদ্ধি করছে, তেমনি ইসরায়েলের নিরাপত্তা ও মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি-স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকিতে ফেলছে।
আরো একটি ব্যাপার এখানে উল্লেখ্য যে পশ্চিমতীরকে সহিংসতামুক্ত করার দায়িত্ব ইসরায়েলের সরকারের এবং যুক্তরাষ্ট্র বহুবার ইসরায়েলের সরকারকে এই বিষয়ে সচেতন হওয়ার আহ্ববান জানিয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে হাশমোর ইয়োশের সদস্যরা এবং ইয়িতজাক লেভি ফিলান্তের বিরুদ্ধে পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনের মারধর, নির্যাতন, বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ এবং বাস্তুচ্যুত করার অভিযোগ রয়েছে। ইসরায়েলের বেশ কয়েকটি স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সরকারের কাছ থেকে নিয়মিত অর্থনৈতিক সহায়তা পেতো হাশমোর ইয়োশ।
এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত ইহুদিদের কাছ থেকেও নিয়মিত চাঁদা নিত হাশমোর ইয়োশ। জে-গিভ নামের একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে চলত এই চাঁদা সংগ্রহ। ওয়েবসাইটিটি ইতোমধ্যে অকার্যকর করে দেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। সেই সঙ্গে মার্কিন ইহুদিদের হাশমোর ইয়োশকে চাঁদা দিতেও নিষেধ করা হয়েছে।
জানা গেছে, নিষেধাজ্ঞা জারির ফলে হাশমোর ইয়োশ এবং ইয়িতজাক লেভি ফিলান্তের নিজের ও পরিবারের সদস্যদের যুক্তরাষ্ট্রে সঞ্চিত যাবতীয় অর্থ ও সম্পত্তি ফ্রিজ করা হয়েছে। আদেশ প্রত্যাহারের আগ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশও করতে পারবেন না তারা।