ডুবে যাওয়ার আগে সফলভাবে কেডি পেন্ডেকারের ৩৯ জন নাবিককে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এছাড়া কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। জাহাজটি উদ্ধারে বর্তমানে অভিযান চলছে।
নৌ সদর দফতরের কৌশলগত যোগাযোগ বিভাগ এর বিবৃতি অনুসারে, ‘নাবিকরা এখন নিরাপদ এবং জোহরের তানজুং পেঙ্গেলিহের কেডি সুলতান ইসমাইলের কাছে স্থানান্তরিত হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে এবং আশেপাশের এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঘটনাস্থলে রয়্যাল মালয়েশিয়ান নেভির সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।
.png)
জাহাজটিকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য নাবিকদের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও, পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি ঘটে বলে নৌবাহিনী থেকে জানানো হয়।
পানির নিচে থাকা বস্তুটির সঙ্গে আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ার কারণেই এ ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
জাহাজের ইঞ্জিন রুমে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করা ফাটলটি খুব দ্রুত সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। তারপর শত চেষ্টা সত্ত্বেও নাবিকরা জাহাজটিকে ডুবে যাওয়ার হাত থেকে বাঁচাতে পারেনি।
রয়্যাল নেভি অবিলম্বে ঘটনার কারণ তদন্তের জন্য একটি বিশেষ তদন্ত বোর্ড গঠন করবে, সেইসঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলায় সহায়তা করার জন্য উদ্ধারকারী সংস্থাগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবে।
ঘটনাস্থলে একটি সিঙ্গাপুরের জাহাজের অবস্থান শনাক্ত করা গেছে।
সূত্র: ডিফেন্স সিকিউরিটি এশিয়া