সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্ট জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট প্রার্থিতার দৌড়ে কমলা হ্যারিস এগিয়ে যাওয়ায় বারাক ওবামা হতাশ হয়েছেন। তিনি মনে করেন, কমলা কোনোভাবেই জয়ী হতে পারবেন না।
ওই সূত্রের মতে, ওবামা বলেছেন যে, কমলা হ্যারিস কখনো সীমান্ত পরিদর্শন করেননি। অভিবাসী সম্পর্কে তার কোনো ধারণা নেই। অভিবাসীদের যে স্বাস্থ্যবীমা থাকা উচিত, তা তিনি জানেনই না। এসব ছাড়াও তার আরো অনেক অযোগ্যতা রয়েছে।
.png)
সূত্রটি নিউইয়র্ক পোস্টকে জানিয়েছে, ওবামা মনেপ্রাণে চাইছিলেন যাতে বাইডেন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। তিনি হলিউড তারকা জর্জ ক্লুনিকে দিয়ে মার্কিন গণমাধ্যমগুলোতে একটি নিবন্ধও লিখিয়েছিলেন— যেটি বাইডেনকে প্রেসিডেন্ট প্রার্থীতা থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনার অংশ ছিল।
সূত্রটি জানিয়েছে, ওবামা আগামী মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ডেমোক্রেটিক পার্টির ন্যাশনাল কনভেনশনে অ্যারিজোনার সিনেটর মার্ক কেলিকে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে সমর্থন দেয়ার ব্যাপারে মনস্থির করেছিলেন। কিন্তু এরমধ্যে বেশিরভাগ ডেমোক্রেটিক নেতা কমলা হ্যারিসের প্রতি সমর্থন জানানোয় ওবামা ক্ষুব্ধ ও হতাশ হয়েছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রটি থেকে নিউইয়র্ক পোস্টকে জানানো হয়েছে, ক্ষুব্ধ ওবামা হয়ত ন্যাশনাল কনভেনশনে যোগ দেবেন না।
এদিকে বারাক ওবামা কমলা হ্যারিসকে সমর্থন জানাতে যাচ্ছেন বলে আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজ।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ওবামা হ্যারিসের প্রার্থীতা সমর্থন করছেন এবং তার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন।
নির্বাচনী প্রচারণায় শীঘ্রই কমলা হ্যারিসের পাশে ওবামাকে দেখা যাবে বলে ওবামার ঘনিষ্ঠ কয়েকজন এনবিসি নিউজকে জানিয়েছেন।
মার্কিন গণমাধ্যমগুলো বলছে, হ্যারিস এরই মধ্যে ১ হাজার ৯৭৬ জন ডেলিগেটের সমর্থন পেয়েছেন। ডেমোক্রেটিক পার্টিতে ডেলিগেটের সংখ্যা প্রায় চার হাজার। প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হওয়ার জন্য দলের জাতীয় সম্মেলনে সহস্রাধিক ডেলিগেটের সমর্থন পাওয়াই যথেষ্ট।
এর আগে গত সোমবার এক বিবৃতিতে কমলা হ্যারিস বলেন, ‘দলের প্রার্থী নির্বাচিত হতে আজ রাতে আমি বড় পরিসরে সমর্থন পেয়েছি। এ নিয়ে আমি গর্বিত।’