সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, উত্তর গাজা উপত্যকায় অভিযানের সময় তাদের এক সেনাসদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। খবর আল জাজিরার।
গত ২৭ অক্টোবর গাজা উপত্যকায় স্থল অভিযান শুরু করে ইসরায়েল। তারপর থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩২৪ জন ইসরায়েলি সেনা নিহতের পাশাপাশি আহত হয়েছে আরো কয়েক হাজার সেনাসদস্য।
.png)
বহু বছর ধরে সাধারণ ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর দখলদার ইসরায়েলি সেনাদের চালানো গণহত্যা, নির্যাতন, ভূমি দখল, ধর্ষণ, গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন ইত্যাদি অপরাধের প্রতিশোধ নিতে গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের সীমান্তে প্রবেশ করে আকস্মিক হামলা চালায় হামাস। এরপরই গাজায় পাল্টা আক্রমণ চালায় ইসরায়েল। প্রায় ৯ মাস ধরে অবরুদ্ধ এই উপত্যকায় ইসরায়েলের হামলায় ৩৮ হাজার ১৫৩ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরো ৮৭ হাজার ৮২৮ জন।
একদিন আগেই গাজায় জাতিসংঘের একটি স্কুলে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় কমপক্ষে ১৬ ফিলিস্তিনি নিহত হয়। অবরুদ্ধ এই উপত্যকায় অবস্থিত ওই স্কুলে আশ্রয় নিয়েছিল বাস্তুহারা লোকজন। গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সেখানে ইসরায়েলি তাণ্ডব থামছেই না।
গাজার নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে অবস্থিত আল জাউনি স্কুলে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় ৭৫ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছে।
এর আগে গাজার মাঘাজি শরণার্থী শিবিরে জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থীবিষয়ক ত্রাণ ও কর্মসংস্থার (ইউএনআরডব্লিউএ) একটি গুদামে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় সংস্থাটির এক কর্মীসহ দুজন নিহত হন। ইউএনআরডব্লিউএ তাদের এক কর্মী নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে। মানবিক সংস্থার গুদামে কাজ করার সময় তিনি জাতিসংঘের জ্যাকেট পরেছিলেন। এরপরেও তিনি হামলার শিকার হন।
মাসের পর মাস ইসরায়েলি হামলার কারণে গাজায় খাবার, পানি, ওষুধ এবং অন্যান্য মানবিক সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। শনিবার ইসরায়েলি হামলায় পাঁচ সাংবাদিক নিহত হয়েছেন বলেও নিশ্চিত হওয়া গেছে।
সূত্র: আল-জাজিরা