সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, যেখানে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল সেখানকার আবহাওয়া প্রচণ্ড গরম ও আদ্র ছিল। এরমধ্যে অস্থায়ী তাঁবু গেড়ে সেখানে অনুষ্ঠানটি করা হয়েছিল। ওই তাঁবুর ভেতর থাকা মানুষ একটা সময় দমবন্ধকর পরিস্থিতিতে পড়েন। এরপর অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর দ্রুত বের হয়ে গেলে অনেকে পদদলিত হয়ে নিহত হন।
জানা গেছে, মঙ্গলবার (২ জুলাই) মর্মান্তিকভাবে প্রাণ হারানো এসব মানুষ গিয়েছিলেন ভোলে বাবা নামক এক কথিত ধর্মগুরুর অনুষ্ঠানে।
.png)
কে এই ধর্মগুরু ‘ভোলে বাবা’ ?
জানা গেছে, তাকে নারায়ণ শঙ্কর হরি নামে ডাকা হয়। বেশিরভাগ সময়ই তাকে সাদা পোশাকে দেখা যায়। দীর্ঘ প্রায় ১৮ বছর তিনি উত্তরপ্রদেশ পুলিশে কর্মরত ছিলেন। পরে তিনি রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা দফতরের চাকরি ছেড়ে ধর্মীয় গুরু হয়ে যান। এরপর তিনি ভক্তদের প্রবচন দিতে শুরু করেন।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, ভোলে বাবা উত্তরপ্রদেশের ইতাহ বিভাগের বাহাদুর নগরী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং সেখানেই প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করেন।
এ ছাড়া ভোলে বাবা নিজেকে হরির শিষ্য হিসেবে অভিহিত করেন। এ কারণে উত্তরপ্রদেশের পশ্চিমাঞ্চলে তার বেশ ভালো পরিমাণ ভক্ত রয়েছে।
ভোলে বাবার অন্যতম একটি আলাদা দিক হলো তিনি ভারতের অন্যান্য ধর্মগুরুর মতো জাফরান রঙের পোশাক পরেন না। এর বদলে সাদা স্যুট এবং টাই পরেন। এছাড়া তার পছন্দের তালিকায় রয়েছে কুর্তা-পায়জামা।
ভক্তদের কাছে কথিত এই ধর্মগুরু বলে থাকেন, তারা তাকে যেসব অর্থ দেয় তার কিছুই নিজের জন্য রাখেন না। এরবদলে ভক্তদের পেছনেই সব অর্থ ব্যয় করেন।