সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা জানিয়েছে, গাজা উপত্যকার জাবালিয়া শরণার্থী শিবির ও নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৪৫ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন বহু মানুষ। ধ্বংসস্তুপের নিচে আটকা পড়েছেন অনেকে। অল্প সময়ের ব্যবধানে চালানো হামলায় এসব মানুষ নিহত হয়েছেন।
এ ছাড়া পূর্ব গাজার আল-দারাজ এলাকায় একটি বাড়িতে বোমা হামলায় ছয়জন নিহত হয়েছেন। একই অঞ্চলের একটি স্কুলে বোমা হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন। এদিকে শনিবার (১৮ মে) গাজায় ইসরাইলি হামলায় অন্তত ৬৪ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। সব মিলিয়ে ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ১২১ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরাইলি বাহিনী। নিহতদের মধ্যে বেশির ভাগই নারী ও শিশু।
.png)
জানা গেছে, গাজাজুড়ে হামলার মাত্রা আরো বাড়িয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। শনিবার তারা কমপক্ষে ৬৪ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে। এর মধ্যে উত্তর গাজার কামাল আদওয়ান হাসপাতালের কাছে একটি আবাসিক ভবনে হামলা চালিয়ে ২৮ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। আহত হয়েছেন বহু মানুষ।
এ ছাড়া উত্তর গাজার জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরের একটি আশ্রয়কেন্দ্রের গেটে জড়ো হওয়া ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলার ঘটনায় ১২ জন নিহত ও আরও ২৫ জন আহত হয়েছেন।
জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরের পশ্চিমে ফালুজাহতে পানির জন্য লাইনে দাঁড়ানো লোকজনের ওপর ইসরায়েল মর্টার সেল ইল আর্টিলারি হামলা চালালে আটজন নিহত ও ১০ জন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া মধ্য গাজার নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন।
এ ছাড়া দক্ষিণ গাজার রাফা শহরের একটি বাড়িতে হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন। উত্তর-পশ্চিম রাফাতে একটি গাড়িতে পৃথক হামলায় শনিবার আরও একজন নিহত হয়েছেন।