পুতিনের বেইজিংয়ে পৌঁছানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে চীনের রাষ্ট্রীয় প্রচারমাধ্যম শিনহুয়া নিউজ এজেন্সি। চীনের বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে পুতিনকে ‘পুরোনো বন্ধু’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা রাশিয়াকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছেন শি জিনপিং। এ পরিস্থিতিতে চীন-রাশিয়ার দুই নেতার নতুন বৈঠকের দিকে তীক্ষ্ণ নজর রাখছে পশ্চিমা বিশ্ব।
.png)
নতুন মেয়াদে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণের পর প্রথম বিদেশ সফরের জন্য চীনকে বাছাই করেছেন পুতিন। রুশ প্রেসিডেন্টের এই সিদ্ধান্ত বিশ্বকে তার অগ্রাধিকার এবং শি জিনপিংয়ের সাথে তার ব্যক্তিগত সম্পর্ক কতটা শক্তিশালী সে বার্তাই যেন দিচ্ছে। সফরকালে পুতিন আজ শি জিনপিংয়ের সাথে সামনাসামনি দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসবেন। দুই দেশের সম্পর্কের ৭৫তম বার্ষিকী উদযাপন করবেন তারা।
পুতিন সিনহুয়া নিউজ এজেন্সিকে বলেন, আমরা শিল্প এবং উচ্চ প্রযুক্তি, মহাকাশ এবং শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক শক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস এবং অন্যান্য উদ্ভাবনী খাতে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা স্থাপনের চেষ্টা করব।
জানা গেছে, শুক্রবার চীনের ঐতিহাসিক শহর হারবিনে দুটি দ্বিপক্ষীয় ব্যবসায়িক সম্মেলনে অংশ নেয়ার কথা রয়েছে পুতিনের। সেই সঙ্গে সেখানে একটি বরফ উৎসবেও যোগ দেবেন তিনি।
এদিকে পশ্চিমা বিশ্লেষকরা বলছেন, ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র দেশগুলোর সিরিজ নিষেধাজ্ঞা থেকে বাঁচতে চীনের উপর অনেক বেশি নির্ভরশীল হয়ে গেছে রাশিয়া। তবে মস্কোর সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে পশ্চিমা সমালোচনাকে প্রত্যাখ্যান করেছে বেইজিং।