এই খসড়া নথিতে ইউক্রেনের প্রতি ইইউ’র নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতির বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। কর্মকর্তারা আশা করছেন, জুন বা জুলাই মাসে এটি চূড়ান্ত হতে পারে।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে, ভবিষ্যতের আগ্রাসনের ক্ষেত্রে কিয়েভের প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিশ্রুতির আলোকে ইইউ ও ইউক্রেন পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে আলোচনা করবে।
.png)
দীর্ঘমেয়াদে ইউক্রেনের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়ে অংশীদারদের আশ্বাসের বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ এই নথি। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সমাপ্তি নির্দিষ্ট না থাকা এবং খুব দ্রুত ইইউ বা ন্যাটোর সদস্য হতে না পারাতে ইউক্রেনের জন্য এমন দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতি চুক্তি স্বাক্ষর করছে পশ্চিমা দেশগুলো।
১২ এপ্রিল তারিখে প্রস্তুতকৃত ১০ পৃষ্ঠার খসড়া নথিতে ইউক্রেনের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষার জন্য ইইউ’র নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতির বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।
ব্লকটির ২৭ সদস্য রাষ্ট্রের দূতরা গত মাসে ব্রাসেলসে এই খসড়া নথির ওপর আলোচনা করেছেন। এর ভিত্তিতে এখন ইউক্রেনের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন কূটনীতিকরা।
কিয়েভের মিত্রদের মধ্যে ব্রিটেন, জার্মানি ও ফ্রান্সসহ আটটি দেশ এরইমধ্যে পৃথকভাবে ইউক্রেনের সঙ্গে নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতির বিষয়ে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।
কর্মকর্তারা বলছেন, ন্যাটো দেশগুলোর মধ্যে দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তির সমান নয় এসব চুক্তি। তবে এসব চুক্তিতে ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহ ও অন্যান্য সহযোগিতার বিষয়ে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।