প্রেসিডেন্টের ভাইয়ের নাম নিকানোর রোলুয়ার্তে এবং প্রসিকিউটররা বলছেন, নিকানোর ঘুষের বিনিময়ে আঞ্চলিক নেতা এবং মেয়রদের তহবিল ছেড়ে দেওয়ার জন্য তার বোনের দেওয়া ক্ষমতা ব্যবহার করেছিলেন।
বিবিসি বলছে, প্রেসিডেন্ট বোলুয়ার্তের বড় ভাই ৬৪ বছর বয়সী নিকানোর বোলুয়ার্তের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরকারি পদে কর্মকর্তাদের নিয়োগের জন্য দুর্নীতি ও প্রভাব বিস্তারের পরিকল্পনার নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
.png)
জানা গেছে, প্রেসিডেন্ট বোলুয়ার্তের আইনজীবী মাতেও কাস্তানেদা-সহ আরও ২১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। পেরুর পুলিশ ‘রোলেক্সগেট’ নামে পরিচিত দুর্নীতির তদন্তের অংশ হিসাবে প্রেসিডেন্ট দিনা বোলুয়ার্তের বাড়িতে অভিযান চালানোর কয়েক সপ্তাহ পর এই পরোয়ানা জারি করা হলো।
এছাড়া প্রসিকিউটররা প্রেসিডেন্টের আইনজীবী মাতেও কাস্তানেদাকে বোলুয়ার্তের বিরুদ্ধে তদন্তে হস্তক্ষেপ করার জন্য অভিযুক্ত করেছেন। কাস্তানেদা প্রেসিডেন্ট বোলুয়ার্তেকে দুর্নীতির তদন্তে পরামর্শ দিচ্ছেন।
এই দুর্নীতি কেলেঙ্কারিকে ‘রোলেক্সগেট’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। যদিও কোনো ধরনের অন্যায় কাজে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছেন প্রেসিডেন্ট বোলুয়ার্তে।
সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে পেরুর বিচার বিভাগ বলেছে, তারা ১০ দিনের জন্য নিকানোর বোলুয়ার্তে এবং অন্যান্যদের ‘আটকে রাখার’ নির্দেশ দিয়েছে।
এদিকে শুক্রবার এক পাবলিক ইভেন্টে প্রেসিডেন্ট বোলুয়ার্তে বলেন, তিনি পেরুর বিচার ব্যবস্থার ওপর আস্থা রাখেন। যদিও এসময় তিনি তার ভাইয়ের গ্রেফতারের কথা উল্লেখ করেননি।
তিনি বলেন, আমরা ছোটখাটো বিষয়ে বিভ্রান্ত হব না, আমরা ন্যায়বিচারে বিশ্বাস করি, দেশে যারা বিচার পরিচালনা করে আমরা তাদের যুক্তিসঙ্গতায় বিশ্বাস করি এবং সে ক্ষেত্রে সরকার গণতন্ত্রের ওপর আস্থা রাখার পাশাপাশি সংবিধানকেও সম্মান করে যাবে।