বৃহস্পতিবার মৃত্যুর পর এদিনই তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে আমিরাতের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, রাজ পরিবারের সদস্যসহ বহু মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
শেখ হাজ্জাকে আমিরাতের অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবেই মূল্যায়ন করা হত। দেশটির প্রেসিডেন্ট থেকে ভিন্ন দেশের কূটনীতিক-রথী মহারথীর সাথে উঠাবসা ছিলো ৪০ এরও কম বয়সী হাজ্জার।
তার মৃত্যুতে গোটা আমিরাতেই শোক নেমে এসেছে। এখনো পর্যন্ত হাজ্জার মৃত্যুর কোনো কারণ প্রকাশ করা হয়নি।
.png)
এ ঘটনার মাত্র কিছুদিন আগে আমিরাতের রাজপরিবারের অপর এক সদস্য শেখ তাহনুনের মৃত্যু হয়। শেখ তানুন আবুধাবির শাসকের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাদের মৃত্যুতে ওমানসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশ শোক সমবেদনা জানিয়েছে।