বুধবার (১৭ এপ্রিল) ইসরায়েলের উত্তর সীমান্তের আরব আল-আরামশি গ্রামে একটি কমিউনিটি সেন্টারের উপর ড্রোনটি বিস্ফোরিত হয়। খবর টাইমস অব ইসরায়েল।
স্থানীয় গালিলি মেডিকেল সেন্টারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হামলায় আহত ব্যক্তিদের মধ্যে একজনের অবস্থা সংকটাপন্ন। আরো দুইজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
.png)
এদিকে হামলার দায় স্বীকার করেছে হিজবুল্লাহ। তারা বলেছে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর ব্যবহৃত একটি ভবন লক্ষ্য করে তারা এ হামলা চালিয়েছে। হামলায় ক্ষেপণাস্ত্র ও বিস্ফোরকভর্তি ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে।
একদিন আগে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলের হামলায় দুই কমান্ডারসহ তিন সদস্য নিহত হওয়ার প্রতিশোধ হিসেবে এ হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে হিজবুল্লাহ।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, সীমান্তের বসতিতে বেশ কয়েকটি আঘাত এসেছে। তবে হামলায় আহতের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তারা কোনো তথ্য দেয়নি। সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে যে আক্রান্ত কমিউনিটি সেন্টারের কাছে একটি গাড়িতেও হামলা হয়েছে।
ইসরায়েল ফিলিস্তিনের গাজায় হামলা চালানোর পর থেকে গত ছয় মাস ইসরায়েল সীমান্তে হামলা চালিয়ে আসছে হিজবুল্লাহ। লেবানন সীমান্ত থেকে কখনো তারা রকেট, কখনো ড্রোন আবার ট্যাংকবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে। গাজাবাসীর প্রতি সংহতি জানিয়ে এসব হামলা চালানো হয় বলে জানিয়ে আসছে হিজবুল্লাহ।
এর আগে গত বুধবারই ইসরায়েলের বিরানিট সেনা ঘাঁটি লক্ষ্য করে বেশ কয়েকটি রকেট নিক্ষেপ করে হিজবুল্লাহ। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী বলেছে, ওই হামলায় কেউ হতাহত হননি। সেনারা হিজবুল্লাহ রকেট উৎক্ষেপণের স্থাপনায় কামানের গোলা নিক্ষেপ করেছেন।