সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ।
প্রতিবেদনে জানানো হয়, ৩ বিলিয়ন ডলারের প্রাথমিক এই ঋণ চুক্তির মেয়াদ ১২ এপ্রিল শেষ হওয়ার কথা। তাই এর আগেই পাকিস্তান সফর প্রতিনিধি দলের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এরপর বৈদেশিক ঋণ পরিশোধে খেলাপি এড়াতে পাকিস্তানের জন্য মধ্যমেয়াদি বেলআউট প্যাকেজের বৈশিষ্ট্যগুলো চূড়ান্ত করবে সংস্থাটি।
.png)
সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে আইএমএফ জানিয়েছে, কর্মসূচির কাঠামোগত অ্যাজেন্ডা সম্পূর্ণ করতে পর্যাপ্ত সময় দিতে ২০২৪ সালের ১৫ মার্চ দ্বিতীয় দফার আলোচনা আবারো শুরু করতে চায় তারা।
নির্বাচনের পর, ফল প্রকাশে বিলম্ব হওয়ায় ঋণ পরিশোধ করতে পারবে কিনা তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছে সংস্থাটি। ফলে দ্বিতীয় দফার পর্যালোচনা দেরিতে করতে চায় সংস্থাটি। শেষ দফার ১.২ বিলিয়ন ডলারও দেরিতেই ছাড় করবে তারা।
পাকিস্তানে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২০২৪ সালের ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৮.০৪ বিলিয়ন ডলার। বহিরাগত ঋণ পরিশোধের কারণে ১৭৩ মিলিয়ন ডলারের রিজার্ভ হ্রাস পেয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সরকার গঠনের পর, এ মাসের শেষে বা আগামী মাসের শুরুতেই ইসলামাবাদ সফর করবেন আইএমএফ প্রতিনিধি দল। আর তারা কেবল দ্বিতীয় মেয়াদের পর্যালোচনা নিয়ে আলোচনা করতেই আসবেন।