বৃহস্পতিবার (১ ফেব্রুয়ারি) গাজা ক্রসিং কর্তৃপক্ষের এক ফিলিস্তিনি কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিলিস্তিনিদের দক্ষিণ গাজা উপত্যকার কারম আবু সালেম (কেরেম শালোম) বাণিজ্যিক ক্রসিংয়ের মাধ্যমে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে এসব আটককৃতকে। এক নারীসহ মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে ১০ জনকে স্বাস্থ্যগত কারণে রাফাহ শহরের একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
.png)
মেডিকেল সূত্র থেকে জানা গেছে, আটককৃত অনেকেই ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তাদের অনেকেরই শরীর, হাত ও পায়ে গুরুতর জখমের চিহ্ন রয়েছে। কয়েকজনের হাত ও পায়ের হাড় ভেঙে গেছে।
সূত্র থেকে আরো জানা গেছে, আটককৃতদের বেশ কয়েকজনের ঘাড়ে ও মাথায় রক্ত জমাট বেঁধে আছে, অন্যদের শ্বাস নিতে অসুবিধা হয়েছিল, ক্ষত ও আঁচড় ছিল এবং তাদের হাত ফুলে ছিল, হাসপাতালে পৌঁছানোর সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন আনাদোলুর রিপোর্টার।
এর আগে গত ২৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া গাজার বিরুদ্ধে স্থল অভিযানের সময় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী শতাধিক ফিলিস্তিনিকে গ্রেফতার করে। তবে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ গাজায় গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের অবস্থান বা অবস্থা সম্পর্কে তথ্য দিতে অস্বীকার করে চলেছে।
ইসরায়েল ২৭ অক্টোবরের অনুপ্রবেশের প্রতিক্রিয়া হিসাবে গাজা উপত্যকায় হঠাৎ আক্রমণ চালায়, প্রায় ১ হাজার ১৪০ ইসরায়েলি নিহত হয়।
এর পর গাজায় ইসরায়েলি বাহিনী সংঘাত শুরু করে। এতে এ পর্যন্ত ২৭ হাজার ১৯ নিহত এবং ৬৬ হাজার ১৩৯ ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন।
ইসরায়েলি আক্রমণের ফলে গাজার জনসংখ্যার প্রায় ৯০ শতাংশ খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি এবং ওষুধের তীব্র ঘাটতির মধ্যে অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
জাতিসংঘের তথ্য মতে, গাজায় ৬০ শতাংশ অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে।