সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ায় ঘটেছে চাঞ্চল্যকর এমন ঘটনা। এরপরই ঐ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পেনসিলভানিয়ার সরকারি কর্মকর্তা ও আদালতের নথির বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, বাবার গলা কেটে সেই ভিডিও ইউটিউবে প্রকাশ করে জাস্টিন মোন নামের ৩২ বছর বয়সী এক ব্যক্তি। কিছু সময় পর ঐ ভিডিও সরিয়ে নেয় ইউটিউব। তবে এর মধ্যেই ভিডিওটি দেখেন বহু মানুষ। পরে মার্কিন ন্যাশনাল গার্ড ঘাঁটির কাছ থেকে বন্দুকসহ জাস্টিনকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে হত্যা ও মরদেহকে অসম্মানসহ বেশ কিছু অভিযোগ আনা হয়েছে।
.png)
জানা গেছে, জাস্টিনের বাবা মাইকেল মোন মার্কিন সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোরে কাজ করতেন। মাইকেলের শিরশ্ছেদের পর তার কাটা মাথা হাতে নিয়ে ভিডিও তৈরি করেন জাস্টিন। এ সময় সে দীর্ঘ বক্তব্য দেয়। বক্তব্যে জাস্টিন নিজেকে ‘আমেরিকার প্রেসিডেন্ট’ হিসেবেও দাবি করে। আর নিজের বাবা মাইকেলকে অভিহিত করেন ‘বিশ্বাসঘাতক’ হিসেবে।
এ বিষয়ে এফবিআইয়ের সাবেক উপ-পরিচালক অ্যান্ড্রু ম্যাককেব বলছেন, এটি ভীষণ উদ্বেগজনক। সামনে আমাদের জন্য ভীষণ উত্তেজনাকর এক রাজনৈতিক মৌসুম অপেক্ষা করছে।
পেনসিলভানিয়ার বাকস কাউন্টির ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সময় ৩০ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ধড় থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন এক পুরুষের (মাইকেল মোন) মরদেহ পাওয়ার খবর আসে। নিহত ব্যক্তির স্ত্রী জরুরি সেবা নম্বরে ফোন করে বিষয়টি জানিয়েছিলেন।
পরে ভিডিও থেকেই হত্যাকারী সম্পর্কে নিশ্চিত হয় পুলিশ। ভিডিওতে জাস্টিন মোন নিজের পরিচয় দিয়ে একটি লিখিত বিবৃতি পাঠ করে। এ সময় সে বলেন, তার বাবা দেশের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। জাস্টিনের ভাষ্য, আমেরিকা একেবারে ভেতর থেকে পঁচে যাচ্ছে। অতিবামরা আমাদের এক সময়ের সমৃদ্ধ শহরগুলোকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।