জানা গেছে, জাহাজের কাঠামোটি গত ২০ জানুয়ারি প্রথমে নজরে আসে। কেপ রে গর্ডন ব্ল্যাকমোর নামের স্থানীয় এক পাখি শিকারির চোখে পড়ে তা।
শত বছর সাগরতলে পড়ে থাকা জাহাজটির ধ্বংসাবশেষ ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে হারিকেন ফিওনার তোড়ে এর অবস্থান থেকে নড়ে যায় বলে মনে করা হচ্ছে। জাহাজটি ১৯ শতকে নির্মিত হয়েছিল বলে ধারণা।
.png)
ধ্বংসাবশেষটি তীরে ভেসে আসার ব্যাপারে শিপরেক প্রিজারভেশন সোসাইটি অব নিউ ফাউন্ডল্যান্ড অ্যান্ড ল্যাব্রাডর সংগঠনের প্রধান নীল বার্গেস বলেন, এটি এক দারুণ ঘটনা। জাহাজটি ওক, বিচ বা এ রকম শক্ত গাছের কাঠ দিয়ে নির্মিত হয়ে থাকলে এটি আমাদের নিউ ফাউন্ডল্যান্ডে তৈরি হয়নি।
সে ক্ষেত্রে সম্ভবত ইউরোপের কোথাও এটি তৈরি হয়েছিল। জাহাজডুবির ডাটাবেইস থেকে খুঁজে দেখা যায় ওই সময়ে কেপ রে এলাকায় কোনো জাহাজ নিখোঁজ হয়েছিল। নীল বার্গেসের ধারণা, উপকূলীয় এলাকার ভাঙন ও ঘূর্ণিঝড় ফিওনার আঘাতে জাহাজটি সাগরতল থেকে উঠে এসেছে।
ধ্বংসাবশেষটি খতিয়ে দেখতে এবং সংরক্ষণের ব্যাপারে পদক্ষেপ নিতে এরই মধ্যে স্থানীয় সরকারের একটি প্রতিনিধিদল ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা এলিজাবেথ গোভার বলেন, এটি আমাদের ইতিহাসের একটি অংশ, যা সবে জেগে উঠেছে। পরবর্তী প্রজন্ম জানতে চাইবে তাদের পূর্বপুরুষদের সম্পর্কে। উপকূলে ভেসে আসা জাহাজটির দৃশ্য ড্রোন ক্যামেরায় ধারণ করে ইউটিউবে আপলোড করা হয়েছে। সেই ভিডিও দেখেছে বহু মানুষ।