সোমবার জাতিসংঘ শান্তির আহ্বান জানিয়ে বলেছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের মতে, সুদান ও দক্ষিণ সুদানের সীমান্ত ঘেঁষা তেলসমৃদ্ধ অঞ্চল আবেইতে সপ্তাহান্তে এ সংঘর্ষ শুরু হয়।
এ ঘটনায় আবেইতে দায়িত্ব পালনকারী জাতিসংঘের অন্তর্বর্তী নিরাপত্তা বাহিনী ইউএনআইএসএফএ বেসামরিক ও শান্তিরক্ষীদের বিরুদ্ধে এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। ইউএনআইএসএফএ বলেছে, স্থানীয় কর্তৃপক্ষের মতে, সেখানে ৫২ জন বেসামরিক লোক প্রাণ হারিয়েছে। এছাড়া গুরুতর আহত হয়েছেন ৬৪ জন। এছাড়া রোববার আক্রান্ত বেসামরিক নাগরিকদের ইউএনআইএসএফএ ঘাঁটি থেকে একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হন শান্তিরক্ষীরা।
.png)
ইউএনআইএসএফএ এ সহিংসতার তদন্তের আহ্বান জানিয়ে আরো বলেছে, এ সময়ে একজন পাকিস্তানি শান্তিরক্ষী নিহত হয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন ইউনিফর্ম পরা চার কর্মী ও একজন স্থানীয় বেসামরিক ব্যক্তি। এর আগে, শনিবার নিহত হয়েছেন ঘানার এক শান্তিরক্ষী।
দক্ষিণ সুদান ২০১১ সালে স্বাধীনতা লাভ করে। এরপর থেকে সুদান এবং দক্ষিণ সুদান মধ্যে অবস্থিত আবেই সহিংস অঞ্চলে পরিণত হয়। আবেই বিশেষ প্রশাসনিক এলাকার কর্তৃপক্ষের মতে, শনিবার সকাল থেকে শুরু করে সশস্ত্র যুবক ও স্থানীয় বিদ্রোহী মিলিশিয়ারা একের পর এক ‘বর্বর সমন্বিত আক্রমণ’ চালিয়েছে।
এ বিষয়ে সোমবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ব্রিটেন, নরওয়ে ও যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, আবেই এবং এর আশপাশে বসবাসকারী সম্প্রদায়ের মধ্যে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সহিংসতার বৃদ্ধির কারণে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন তারা।
উল্লেখ্য, গত বছরের নভেম্বরে সংঘর্ষে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষীসহ ৩২ জন নিহত হওয়ার পর এ হামলা হলো। আবেইতে ১২ বছর ধরে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন কাজ করছে। বর্তমানে সেখানে প্রায় চার হাজার সামরিক ও পুলিশ সদস্য আছেন।