একটি কূটনৈতিক সূত্র আল জাজিরাকে জানিয়েছে, এই হামলার পর রাশিয়া জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যদের কাছে একটি বার্তা পাঠিয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, তারা ইয়েমেনে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের এই হামলাকে জাতিসংঘের সনদের লঙ্ঘন বলে মনে করে। সে কারণেই শুক্রবার জরুরি অধিবেশনের আহ্বান জানিয়ে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যদের কাছে একটি বার্তা পাঠিয়েছে দেশটি।
ইয়েমেনে হুথি বিদ্রোহীদের বিভিন্ন অবস্থান লক্ষ্য করে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য। বৃহস্পতিবার রাতে এই হামলা চালানো হয়।
.png)
ইয়েমেনের যেসব জায়গা হামলার শিকার হয়েছে তা প্রকাশ করেছে হুথিরা। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও রয়েছে।
হুথিরা জানিয়েছে, রাজধানী সানার উত্তরে অবস্থিত আল দাইলামি বিমানঘাঁটি, পশ্চিম ইয়েমেনের হুদেইদা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আশেপাশের এলাকা, উত্তর ইয়েমেনি প্রদেশ সাদার কাহলান ক্যাম্প যেখানে হুথিরা অবস্থান করছে, তাইজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং দক্ষিণ-পশ্চিম ইয়েমেনের তাইজ গভর্নরেটের অন্যান্য অংশ এবং উত্তর-পশ্চিম ইয়েমেনের আবস শহরের একটি বিমানবন্দর।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, হামলায় হুথিদের অস্ত্র ভাণ্ডার, কমান্ড সেন্টারসহ বিভিন্ন অবকাঠামো লক্ষ্য করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন এক মার্কিন কর্মকর্তা।
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, হামলায় ব্যবহার করা হয়েছে টমাহোক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। যেগুলো জাহাজ থেকে ছোড়া হচ্ছে। এছাড়া যুদ্ধবিমানও ব্যবহার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গাজায় ইসরায়েলি হামলা বন্ধের দাবিতে লোহিত সাগরে ইসরায়েল অভিমুখী ও ইসরায়েলি মালিকানাধীন জাহাজে গত দুই মাস ধরে হামলা চালিয়ে আসছিল হুথিরা। এর জবাবে এই পদক্ষেপ নিল দুই পশ্চিমা পরাশক্তি।