জানা গেছে, নওয়াদা জেলায় 'অল ইন্ডিয়া প্রেগন্যান্ট জব এজেন্সি' নামে পরিচিত একটি সংস্থা পরিচালনা করার জন্য আট জনকে গেফতার করা হয়েছে। গর্ভধারণ করতে অক্ষম মহিলারা যাতে সফলভাবে সন্তান প্রসব করতে পারে সেই জন্য এজেন্সিটি পুরুষদের ১৩ লাখ টাকার অফার দিত।
বিহারের পুলিশ জানিয়েছে, সারাদেশে অনলাইনে চলছিল এই ব্যবসা। মহিলাদের গর্ভবতী করার নামে প্রতারণা করা হচ্ছিল। এই নিয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। পুলিশ এই মামলায় ২৬ জনের নাম উল্লেখ করেছে এবং তার মধ্যে থেকেই আট জনকে গ্রেফতার করেছে।
.png)
প্রতারণাকারী ওই চক্রের কথা ফাঁস করেছে নওয়াদার সাইবার থানা। তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্তরা মহিলাদের ছবি অনলাইনে সংগ্রহ করতো। এরপর তাদের থেকে ব্যক্তিগত নানা তথ্য় নেয়া হয়। সেই সমস্ত মহিলাদের গর্ভবর্তী করার জন্য অফার দেওয়া হত পুরুষদের। গর্ভবতী হলে ১৩ লাখ টাকা এবং না হলে ৫ লাখ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার এসআইটি (SIT) সেখানের মুফাসসিল থানা এলাকার গুরমহা গ্রামে মুন্না কুমার ওরফে দীপকের বাড়িতে হানা দেয়। এখান থেকে আট অভিযুক্তকে হাতেনাতে ধরেছে পুলিশ। তবে চক্রের নেতা মুন্নাসহ দুই ডজন অভিযুক্ত পালিয়ে যায়। পুলিশে জানিয়েছে, এই চক্রের সাথে মোট ২৫-৩০ জন ছিনতাইকারী জড়িত ছিল। ওই অভিযানে ৯টি মোবাইল, প্রিন্টার ও ডাটা উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বিহারের ডিএসপি কল্যাণ আনন্দ বলেন, অভিযুক্তরা ‘অল ইন্ডিয়া প্রেগন্যান্ট জব’ নামে একটি সংস্থার মাধ্যমে প্রতারণা চক্রটি চালাচ্ছিল। তারা মহিলাদের গর্ভবতী করার নামে পুরুষদের সঙ্গে প্রতারণা করে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিত।
তিনি জানান, অভিযুক্তরা রেজিস্ট্রেশনের নামে অনলাইনে ৭৯৯ টাকা দাবি করত। এরপর সিকিউরিটি ফি’র নামে ৫ থেকে ২০হাজার টাকা নেয়া হতো। তবে তারা কতজনের সঙ্গে এই রকম প্রতারণা করেছে তা এখনো জানানো হয়নি। অভিযুক্তদের ফোন থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অনেকের সঙ্গে কথা বলেছে পুলিশ।