এক প্রতিবেদনে ফিলিস্তিনের সরকারি বার্তাসংস্থাটি জানিয়েছে, গত সোমবার উপত্যকার উত্তরাঞ্চলে দুটি স্কুলে বোমাবর্ষণ করেছিল ইসরায়েল। সেই অভিযানেও নিহতের সংখ্যা ছিল ৫০ জন। এরপর মঙ্গলবারের হামলায় নিহতদের মধ্যে ৪০ জন খান ইউনিস শহরের এবং ১০ জন নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরের।
প্রতিবেদনে আরো জানানো হয়েছে, সোমবার স্কুলে বোমা বর্ষণের পাশাপাশি গাজার উত্তরাঞ্চলীয় শরণার্থী কেন্দ্র জাবালিয়া ক্যাম্পেও বোমা ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী। এতে অন্তত ১০৮ জন নিহত এবং কয়েক ডজন ফিলিস্তিনি আহত হন। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আহতদের শিবিরের নিকটবর্তী কামাল আদওয়ান হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
.png)
জ্বালানির অভাবে গত বেশ কিছুদিন ধরে হাসপাতালটিতে বিদ্যুৎ নেই। উপরন্তু ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর অব্যাহত বোমা ও ড্রোন হামলায় ঘরবাড়ি হারিয়ে হাসপাতালটির চত্বরে আশ্রয় নিয়েছেন ৭ হাজারেরও বেশি মানুষ।
এর আগে হামাসের গুপ্ত আস্তানা সন্দেহে গাজা উপত্যকার বৃহত্তম হাসপাতাল আল-শিফা এবং ইন্দোনেশিয়ান হাসপাতালে অভিযান চালিয়েছিল ইসরায়েলি স্থল বাহিনী। কামাল আদওয়ান হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, একই অভিযান এই হাসপাতালেও হতে পারে বলে সতর্কবার্তা দিয়েছে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষাবাহিনী (আইডিএফ)।
গত ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাসের যোদ্ধারা ইসরায়েলের ভূখণ্ডে অতর্কিত হামলা চালানোর পর ওই দিন থেকেই গাজায় অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী। পরে ১৬ অক্টোবর থেকে অভিযানে যোগ দেয় স্থল বাহিনী।
সূত্র: ওয়াফা নিউজ