ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

অনলাইন ম্যাপ দেখে সরে যেতে বলছে ইসরায়েল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৪:৫২, ৫ ডিসেম্বর ২০২৩
অনলাইন ম্যাপ দেখে সরে যেতে বলছে ইসরায়েল
ছবি: সংগৃহীত

পুরো গাজা ভূখণ্ড জুড়েই আক্রমণ করছে ইসরায়েল। খান ইউনুসের ২০টি এলাকা থেকে মানুষকে সরে যেতে বলা হয়েছে। ইসরায়েলের সেনা দক্ষিণ গাজার বাসিন্দাদের বলেছে, কোথায় আক্রমণ করা হবে, তারা যেন প্রতিদিন অনলাইনে দেখে নেন এবং নিরাপদ জায়গায় সরে যান। প্রতিদিন ইসরায়েলের সেনা অনলাইনে এই তথ্য জানিয়ে দিচ্ছে।

জেরুসালেমে ডিডাব্লিউর প্রতিনিধি রেবেকা রিটার্স জানিয়েছেন, গাজার মানুষদের একটা ম্যাপ দেওয়া হচ্ছে। যেখানে বিভিন্ন অঞ্চলকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি ভাগ নম্বর দিয়ে চিহ্নিত করা হয়েছে। ইসরায়েলি সেনা প্রতিদিন জানিয়ে দিচ্ছে, কত নম্বর জায়গায় হামলা চালানো হবে এবং সরে যেতে হবে।

রেবেকা আরো জানিয়েছেন, সমস্যাটা হলো, মানুষের আসলে কোথাও পালিয়ে যাওয়ার জায়গা নেই,  লুকানোর জায়গাও নেই। ইন্টারনেটেরও সমস্যা। ফলে নির্দিষ্ট দিনে নিরাপদ জায়গা কোনটা তা জানতেও মানুষের অসুবিধা হচ্ছে।

Advertisement

ইসরায়েলকে যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, সাধারণ বেসামরিক মানুষকে রক্ষা করতে হবে।

যদিও এখন পুরো গাজা ভূখণ্ডে অভিযান চালাচ্ছে ইসরায়েলিরা। তাই সাধারণ মানুষকে রক্ষার বিষয়টি জরুরি। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র মিলার জানিয়েছেন, এখনই কিছু বলার সময় আসেনি, তবে ইসরায়েলের কৌশলে কিছুটা বদল তারা দেখতে পাচ্ছেন। তারা একেবারে নির্দিষ্ট করে বলছে, কোন জায়গা থেকে সাধারণ মানুষকে সরে যেতে হবে।

মিলার আরো জানিয়েছেন, ইসরায়েলের সেনা নির্দিষ্ট কিছু জায়গা চিহ্নিত করছে এবং মানুষকে সেই জায়গা থেকে সরে যেতে বলছে। এর পরেই তারা আক্রমণ করছে, যেটা আগে হয়নি।

এদিকে বন্দিমুক্তির বিষয় নিয়ে হামাসকেই দায়ী করলো যুক্তরাষ্ট্র। মর্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা সুলিভান জানিয়েছেন, হামাস মোট ৮০ জন ইসরায়েলের নারী ও শিশুকে ছেড়ে দিয়েছে। বিনিময়ে ইসরায়েলও তার তিন গুণ ফিলিস্তিনিকে ছেড়েছে। এছাড়া হামাস আলাদা করে ২৩ জন থাইল্যান্ডের নাগরিককেও ছেড়েছে।

সুলিভান আরো জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র সব বন্দিকে মুক্তি দেওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেছিল। কিন্তু হামাস  কিছু নারীকে ছাড়তে চায়নি। তার পরেই  এই আলোচনা ভেস্তে যায়। মুক্তি দেওয়ার জন্য নামের তালিকায় থাকা কিছু নারীকে হামাস ছাড়েনি। তার পরই আলোচনা ভেঙে যায়। মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র মিলার বলেছেন, মনে হচ্ছে, ওই নারীরা মুক্তি পেলে তাদের ওপর অত্যাচারের কথা সবাই জেনে যাবে, সেটা হামাস চায়নি।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএএইচ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!