সামরিক ও বেসামরিক নেতৃত্বের একাংশ দক্ষিণ গাজায় স্থলে অভিযান চালানোর পক্ষে আবার আরেকটি পক্ষ বন্দী বিনিময় করার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তিতে পৌঁছানোর পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। কয়েকটি সূত্রের বরাত দিয়ে ইসরায়েলের দৈনিক জেরুজালেম পোস্ট এ খবর দিয়েছে।
গাজা নিয়ে যে বিষয়গুলো আলোচনা করা হচ্ছে তার মধ্যে রয়েছে দক্ষিণ গজায় সামরিক আগ্রাসন বিস্তার করা হবে কিনা। এর পাশাপাশি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের হাতে থাকা বন্দীদের মধ্যে অন্তত কয়েকজন ইসরায়েলিকে মুক্তির বিনিময়ে সাময়িক যুদ্ধ বিরতির বিষয় নিয়ে বিতর্ক চলছে। ইসরায়েলি বন্দি মুক্তির বিনিময়ে ফিলিস্তিনি বন্দীদের মুক্তি দেয়ার প্রশ্ন রয়েছে।
.png)
জেরুজালেম পোস্টের খবরে বলা হয়েছে, ইসরায়েল এবং হামাসের মধ্যে বন্দী বিনিময় চুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে যার প্রেক্ষাপটে দক্ষিণ গাজায় ইসরায়েলের অভিযান শুরু করতে দেরি হচ্ছে। এর আগে ইসরায়েলের সামরিক এবং বেসামরিক নেতৃত্ব গাজা থেকে হামাসকে নির্মূল এবং ইসরায়েলি বন্দীদের মুক্ত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে।
জেরুজালেম পোস্টের খবরে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি সেনারা আগ্রাসন অব্যাহত রাখার পক্ষে মত দিয়েছে। তবে, বিরোধীদলীয় নেতাসহ ইয়াইর লাপিদসহ বেশিরভাগ ইসরায়েলি যুদ্ধবিরতি ও বন্দী বিনিময়ের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। একইসাথে তারা যুদ্ধবাজ নেতানিয়াহুর পদত্যাগ দাবি করছেন।