শনিবার (১৮ নভেম্বর) এই তথ্য জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা জানায়, অবরুদ্ধ গাজার সবচেয়ে বড় শরণার্থীশিবির জাবালিয়ায় ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর হামলায় আবু হাবাল নামের এক ব্যক্তির পরিবারের ৩২ জন সদস্য নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১৯ জনই শিশু। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ওই পরিবারের নিহতদের নামের তালিকা প্রকাশ করেছে।
.png)
চলমান ভয়াবহ এই সংঘাতের ৪৩তম দিনের গাজার বিভিন্ন এলাকায় বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। আল-জাজিরার প্রতিবেদন মতে, এদিন ভোরে জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরের কাছেই জাতিসংঘ চালিত আল ফাখোরা স্কুলে বিমান হামলা চালানো হয়। এতে অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছেন।ইসরায়েলি হামলা থেকে বাঁচতে স্কুলটিতে কয়েক হাজার নিরীহ ফিলিস্তিনি আশ্রয় নিয়েছিল।
এদিকে, অবরুদ্ধ গাজার উত্তরাঞ্চলকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করে দক্ষিণেও বোমা হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। শনিবারেই দক্ষিণ গাজার খান ইউনিস শহরে বোমা হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সেনারা। এ হামলায় অন্তত ২৬ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। তাদের বেশিরভাগই শিশু।
গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে অতর্কিত রকেট হামলা চালায় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস। এর পাল্টা জবাবে টানা ৪৪ দিন ধরে গাজায় নৃশংস গণহত্যা চালাচ্ছে ইসরায়েলি সেনারা। সবশেষ শনিবার (১৮ নভেম্বর) হামাস জানিয়েছে, গত ৭ অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত গাজায় ১২ হাজার ৩০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে পাঁচ হাজারেরও বেশি শিশু। আর নারী তিন হাজার ৩০০ জন। এছাড়াও এখন পর্যন্ত আহত হয়েছেন ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষ।