বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যম রয়টার্স জানিয়েছে, বেশ কয়েক মাস ধরে নেয়া পরিকল্পনা ও প্রস্তুতির পর বুধবার সান ফ্রান্সিসকোর বে এরেনায় বৈঠক করেন শি জিনপিং ও জো বাইডেন। এশিয়া-প্যাসিফিক ইকোনোমিক কোঅপারেশন (এপিইসি) সম্মেলনের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় চার ঘণ্টা আলোচনা হয় দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে। বৈঠকে বিশ্বের এ দুই শক্তিধর দেশের মধ্যে সম্পর্কের পারদ গলে কিনা সেদিকে নজর ছিল গোটা বিশ্বের। কিন্তু সুদীর্ঘ বৈঠক যে সেভাবে ফলপ্রসূ হয়নি, তা স্পষ্ট হয়ে গেলো বাইডেনের কথায়। জিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাতের পরই তাকে আবারো ‘স্বৈরাচার’ বলে কটাক্ষ করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
এর আগে চলতি বছরের শুরুর দিকে জিনপিংকে ‘স্বৈরাচারী’ বলে বেইজিংয়ের তোপের মুখে পড়েছিলেন বাইডেন। বুধবার বৈঠক শেষে তাই এক সাংবাদিক মার্কিন প্রেসিডেন্টকে জিজ্ঞেস করেন, তিনি এখনো চীনা প্রেসিডেন্টকে ‘একনায়ক’ বলে মনে করেন কিনা?
.png)
উত্তরে বাইডেন বলেন, ওনাকে দেখে তাই মনে হয়। মানে, যেভাবে তিনি দেশশাসন করছেন, চীনের মতো একটি কমিউনিস্ট দেশ, যার সরকারের গঠন আমাদের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা, সেসব বিবেচনায় জিনপিং একজন স্বৈরশাসক।
এদিনের বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রেকে খোঁচা দিতে পিছপা হননি চীনের প্রেসিডেন্টও। তাইওয়ান প্রসঙ্গ তুলে কড়া বার্তা দেন জিনপিং।
চীনা সংবাদমাধ্যমের খবর অনুসারে, জিনপিং বাইডেনকে বলেছেন, স্বাধীন তাইওয়ান নীতিকে সমর্থন না করার প্রতিশ্রতি দিয়েছেন আপনারাই। এবার তা প্রমাণ করুন।
এ সময় মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ফের যুক্তরাষ্ট্রের ‘এক চীন’ নীতির কথা মনে করিয়ে দেন জিনপিং। জবাবে বাইডেন তাকে আশ্বস্ত করে বলেন, আমি এই নীতি পরিবর্তন করবো না।