ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

ফিলিস্তিনের ৩১৪১ ছাত্র, ১৩০ শিক্ষককে হত্যা করেছে ইসরায়েল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:০৫, ১৫ নভেম্বর ২০২৩
ফিলিস্তিনের ৩১৪১ ছাত্র, ১৩০ শিক্ষককে হত্যা করেছে ইসরায়েল
ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলি হামলায় ফিলিস্তিনের তিন হাজার ১৪১ ছাত্র ও ১৩০ শিক্ষক নিহত হয়েছেন। পিসিবিএস (ফিলিস্তিনের কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান ব্যুরো) এ তথ্য দিয়েছে।

৭ অক্টোবর থেকে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা ও অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি হামলায় এসব ছাত্র ও শিক্ষক নিহত হন।

মঙ্গলবার ফিলিস্তিনের কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান ব্যুরো এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গত ৭ অক্টোবর থেকে ১১ নভেম্বর পর্যন্ত গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের ভয়াবহ বোমাবর্ষণে ৩১১৭ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। এ সময় পশ্চিম তীরে নিহত হয়েছেন ২৪ জন ছাত্র।

Advertisement

ইসরায়েলি আগ্রাসনে ৪৮৩৩ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। যার মধ্যে গাজা উপত্যকায় আহত হয়েছেন ৪৬১৩ জন এবং পশ্চিম তীরে ২৫০ জন। এছাড়া ৪০৩ জন শিক্ষক এবং শিক্ষা বিষয়ক প্রশাসনিক কর্মকর্তা ইসরায়েলের বোমা হামলায় আহত হয়েছেন। এর পাশাপাশি ৪০ জন শিক্ষক এবং কর্মকর্তাকে পশ্চিম তীর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গত ৭ অক্টোবর থেকে ১১ই নভেম্বর পর্যন্ত পশ্চিম তীর থেকে ৬৭ জন শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে।

ফিলিস্তিনের কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান ব্যুরো-এর রিপোর্টে বলা হয়েছে যে ইসরায়েল ইচ্ছাকৃতভাবে ২৩৯টি সরকারি স্কুলে বোমা হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে ৪৫টি স্কুল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর পাশাপাশি জাতিসংঘ পরিচালিত ৪৫টি স্কুল ইসরায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এদিকে ইউনিসেফ জানিয়েছে, ইসরায়েলের বর্বর আগ্রাসনে এ পর্যন্ত গাজা উপত্যকায় সাত লাখ শিশু উদ্বাস্তু হয়েছে।

অপরদিকে গাজার উত্তরাঞ্চলে ইসরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে হামাস যোদ্ধাদের তীব্র লড়াই চলছে। গত কয়েক দিন ধরে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর স্থল হামলা জোরদার হওয়ার পর থেকে গাজার উত্তরাঞ্চলে সংঘাতের তীব্রতা বেড়েছে।

উত্তর গাজার শহর গাজা সিটির হাসপাতালগুলোর আশেপাশে সংঘাতের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি। হাসপাতালগুলোর আশেপাশের এলাকায় বেশ কয়েক দিন ধরে তীব্র সংঘাত চলার কারণে কয়েকটি হাসপাতাল কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।

গাজার সবচেয়ে বড় হাসপাতাল আল শিফা ‘আর হাসপাতাল হিসেবে কাজ করছে না’ বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

ইসরায়েলি বাহিনীর ক্রমাগত বোমা হামলা ও স্থল আক্রমণ চলতে থাকায় গাজার আরও কয়েকটি হাসপাতালও একই পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএএইচ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!