জানা গেছে, দেশটির মধ্যাঞ্চলীয় ইস্ফাহান প্রদেশে শুক্রবার এই বিশাল মহড়া শুরু করে দেশটি। দুইদিনব্যাপী চলবে এই মহড়া।
ইরানি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, শুক্রবার মহড়ার প্রধান ধাপে সেনাবাহিনীর মোবাইল অ্যাসাল্ট ব্রিগেড, সাঁজোয়া বিভাগ এবং হেলিকপ্টারের স্কোয়াড্রন, আপডেট ভার্সনের শাফাক, আলমাস এবং দেহলাভিয়ে ক্ষেপণাস্ত্র ৮ থেকে ২০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুকে লক্ষ্য করে আঘাত হানে।
.png)
ইরানের বিমানবাহিনীর কমান্ডার ইউসুফ ঘোরবানি মহড়ার ফাঁকে জানান, এ মহড়ায় সেনাবাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যার মধ্যে পদাতিক, সাঁজোয়া, ক্ষেপণাস্ত্র, আর্টিলারি, বিমান চালনা, ড্রোন, ইলেকট্রনিক, আধুনিক এবং সাইবার যুদ্ধ ইউনিটও রয়েছে।
তিনি বলেছেন, নতুন সাংগঠনিক কাঠামোর সাথে সামঞ্জস্য রেখে চারটি মূল বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে, অর্থাৎ গতি, নির্ভুলতা, বুদ্ধিমত্তা, সামরিক সরঞ্জাম স্বয়ংক্রিয় এবং নেটওয়ার্ক সক্ষমতার ওপর জোর দেয়া হয়েছে এ মহড়ায়।
তবে ইসরাইল-হামাস সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে ইরান এ মহড়া শুরু করেছে কিনা তা নিশ্চিত করেনি দেশটির সেনাবাহিনী।
উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধে হামাসের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে ইরান। দেশটি হুঁশিয়ারি দিয়েছে, ইসরায়েল যদি ফিলিস্তিনের গাজায় বোমা হামলা ও বেসামারিকদের হত্যা বন্ধ না করে তাহলে এই যুদ্ধ অন্যত্র ছড়িয়ে পড়তে পারে।
হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধে ইসরায়েলকে সমর্থন দেওয়া যুক্তরাষ্ট্র আশঙ্কা করছে, ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো যুদ্ধে জড়িয়ে যেতে পারে। যার পরিণতি হতে পারে ভয়াবহ। এ কারণে তারা ইরান ও তাদের মিত্রদের যুদ্ধ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছে।