গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য প্রকাশ করে জানিয়েছে, সেখানে প্রতিদিনই ইসরায়েলের বিমান হামলায় শত শত মানুষ নিহত হচ্ছে। গত ২৪ দিনের এই নজিরবিহীন বর্বরতায় এখন পর্যন্ত গাজায় ৫ হাজার ৭৯১ জন ফিলিস্তিনি নাগরিক নিহত হয়েছে।
গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে আকস্মিক হামলা চালায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। এরপরেই গাজায় পাল্টা অভিযান শুরু করে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। টানা কয়েকদিন ধরেই গাজায় হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল।
.png)
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ড্যানিয়েল হাগারি জানিয়েছেন, গাজা উপত্যকায় গত কয়েকদিনে তাদের সেনারা চার শতাধিক টার্গেটে হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি মসজিদও রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় তিনি দাবি করেন, যেসব মসজিদে হামলা চালানো হয়েছিল সেগুলো বৈঠকের জন্য ব্যবহার করছিল হামাস।
তিনি আরো জানান, হামাসের অপারেশনাল সদর দপ্তরে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে হামাসের তিনজন ডেপুটি কমান্ডার নিহত হয়েছেন।
এদিকে ইসরায়েলের চলমান বিমান হামলার কারণে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার উত্তরাঞ্চল থেকে অনেক ফিলিস্তিনি নাগরিকই নিজেদের বাড়ি-ঘর ছেড়ে দক্ষিণাঞ্চলে আশ্রয় নিয়েছিলেন। কিন্তু এখন দক্ষিণাঞ্চলের পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। ফলে বিপাকে পড়েছেন এসব অসহায় মানুষ।
আর কোনো পথ খুঁজে না পেয়ে তারা এখন আবারো সেই উত্তরাঞ্চলেই ফিরে যেতে শুরু করেছেন। জাতিসংঘের এর শীর্ষ কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।