মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) দক্ষিণাঞ্চলীয় সীমান্ত শহর আশকেলন’কে লক্ষ্য করে চালানো হয় এই হামলা।
সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, স্থানীয় সময় বিকেল ৫টার মধ্যে আশকেলন থেকে বেসামরিক লোকজনকে সরে যাওয়ার সময়সীমা বেধে দিয়েছিল হামাস। আর নির্দিষ্ট সেই সময় শেষ হওয়ার পরই সেখানে মুহুর্মুহু ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে গাজার এ সশস্ত্র বাহিনী।
.png)
বিবিসির সাংবাদিক অ্যালিস কাডি আসকেলন থেকে জানিয়েছেন, বিকেল ৫টার কিছু পরই গাজা উপত্যকা থেকে একসঙ্গে কয়েকশ ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়।
তিনি আরো জানান, হামলার আগে তিনিসহ অনেক বাসিন্দা আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যান। নতুন করে হামাস ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পর সেখানকার মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে এবং পরবর্তীতে কি হবে— এ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন তারা।
বিবিসির এ সাংবাদিক জানিয়েছেন, গত কয়েক মিনিটে তারা ক্ষেপণাস্ত্র বিস্ফোরণের অনেক শব্দ শুনতে পেয়েছেন।
তিনি আরো জানিয়েছেন, হামলার কয়েক মিনিট আগে থেকেই সেখানকার সাধারণ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে মোবাইল ফোনে অব্যাহতভাবে বার্তা পাঠানো হয়।
এদিকে হামাস যখন ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ছে তখন অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় অব্যাহতভাবে বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছিল ইসরায়েল।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরায়েলের বিমান হামলায় ৮৩০ জন ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। যার বড় একটি অংশ নারী-শিশুসহ বেসামরিক লোকজন।
সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা জানিয়েছে, গাজায় গত তিন দিন ধরে শক্তিশালী বিমান হামলা চলছে। আর এসব নির্বিচার হামলায় অনেক বাড়ি-ঘর, আশ্রয়কেন্দ্র, মসজিদ ধসে পড়েছে বা পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।