শনিবার (৭ অক্টোবর) ইসরায়েলের অবৈধ বসতিগুলোতে আকস্মিকভাবে হামলা চালানো শুরু করে হামাসের যোদ্ধারা। এ সময় তারা দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর একটি ট্যাংক ধ্বংস করে। এছাড়া কয়েকজন ইসরায়েলি সেনাকে আটক করে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, ট্যাংকের ভেতর থেকে এক ইসরায়েলি সেনাকে টেনে বের করছেন হামাসের সেনারা। ওই ট্যাংকের পাশেই আহত বা নিহত অবস্থায় পড়ে ছিল আরো কয়েকজন সেনা।
.png)
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত আরো কয়েকটি ভিডিওতে ইসরায়েলি সেনাদের আটক ও ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি দেখা গেছে।
ভিডিওগুলোতে দেখা যায়, এক নারী সেনাকে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, কয়েকজন সেনাকে একটি গাড়ির ভেতরে বেঁধে রাখা হয়েছে। অপর একটি ভিডিওতে দেখা যায়, গাজায় ধরে নিয়ে যাওয়া এক ইসরায়েলি সেনাকে মারধর করছেন সাধারণ মানুষ।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, এসব ইসরায়েলি সেনাকে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং সেখানে তাদের আটকে রাখা হয়েছে।
এছাড়া বেসামরিক ও অবৈধ বসতিস্থাপনকারী ইসরায়েলিদেরও ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম।
এর আগে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলো হামাসের হামলায় ২২ জন নিহত হওয়ার কথা জানিয়েছিল। পরবর্তীতে এ সংখ্যা বেড়ে ৪০ জনে দাঁড়িয়েছে।
এদিকে হামাসের এ আকস্মিক হামলার পর ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় বিমান হামলা চালানো শুরু করে।
সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, দখলদার ইসরায়েলিদের বিমান হামলায় অন্তত ১৬১ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। কারণ ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান অনেক বেসামরিক ভবন লক্ষ্য করেও হামলা চালাচ্ছে।
সূত্র: আল-জাজিরা