রোববার বিশ্বে প্রথম এই পদ্ধতির প্রথম ধাপ চালু করে ব্লকটি। জলবায়ু পরিবর্তন রোধ ও সবুজায়নের চেষ্টা যাতে ব্যাহত না হয়, সেজন্য দূষণ সৃষ্টিকারী এসব বিদেশি পণ্য আমদানি রোধ করতে চায় জোটটি। তবে এটি কার্যকর হবে ২০২৬ সালে। এখন থেকে শুরু হলো প্রতিবেদন জমাদান।
ব্যবসায়িক অংশীদার দেশগুলোর মধ্যে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে পরিকল্পিত এই শুল্ক আরোপ। গত মাসে একটি ফোরামে চীনের শীর্ষ জলবায়ু দূত দেশগুলোকে ইইউ শুল্কের মতো একতরফা পদক্ষেপ না নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
.png)
কার্বন বর্ডার অ্যাডজাস্টমেন্ট মেকানিজম (সিবিএএম) একটি প্রাথমিক পর্যায় শুরু করেছে। এরই অংশ হিসেবে এখন থেকে ইইউ আমদানিকারকদের লোহা এবং ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম, সিমেন্ট, বিদ্যুৎ, হাইড্রোজেন ও সার আমদানি করার সময় গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের তথ্য রিপোর্ট করতে হবে। আর ২০২৬ থেকে আমদানিকারকদের এই কার্বন ডাইঅক্সাইড নির্গমনসংক্রান্ত সনদ নিতে হবে।
১৯৯০-এর স্তর থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে ইইউর দেশগুলোর মোট নির্গমন ৫৫% কমাতে চায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এ লক্ষ্য পূরণের অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউরোপীয় কমিশন। এই সীমান্ত শুল্ক বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নিয়মের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ব্রিটেন এবং ইউক্রেনের কোম্পানি বলেছে, পরীক্ষামূলক পর্যায়ে প্রাথমিকভাবে কিছুটা প্রভাব পড়তে পারে।