রোববার (১ অক্টোবর) তুরস্কের পার্লামেন্টের উদ্বোধনী অধিবেশনের আগে এরদোগান বলেন, ‘আমরা ইইউকে দেওয়া সব প্রতিশ্রুতি রেখেছি; কিন্তু তারা তাদের প্রায় কোনোটিই রক্ষা করেনি।’
তুর্কি প্রেসিডেন্ট বলেন, তিনি জোটে তার দেশের যোগদানের জন্য ‘অধিগ্রহণ প্রক্রিয়ার নতুন কোনো দাবি বা শর্ত সহ্য করবেন না’।
.png)
গত বৃহস্পতিবার ইউরোপিয়ান কোর্ট অব হিউম্যান রাইটসের (ইসিএইচআর) একটি রায় থেকেও এরদোগানের ক্ষোভ উদ্ভূত হয়েছে।
২০১৬ সালের অভ্যুত্থানচেষ্টার পরিপ্রেক্ষিতে একজন শিক্ষককে দোষী সাব্যস্ত করায় ইসিএইচআর তুরস্কের নিন্দা করেছে। অভিযুক্ত চক্রান্তকারীদের সঙ্গে যুক্ত একটি মেসেজিং অ্যাপ ডাউনলোড করেছিলেন।
ইউকসেল ইয়ালসিনকায়ার নামের ওই শিক্ষকের অধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে—এমন রায়টি একটি উল্লেখযোগ্য নজির তৈরি করতে পারে। স্ট্রাসবার্গভিত্তিক ওই আদালতে অনুরূপ হাজার হাজার মামলা বিচারাধীন।
এরদোগানকে ক্ষমতাচ্যুত করার ব্যর্থ চেষ্টার পেছনে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রচারক ফেতুল্লাহ গুলেনের নেতৃত্বে একটি গোষ্ঠীকে দায়ী করেছে তুরস্ক। তারা অভিযোগ করেছে, পরিকল্পনাটি সমন্বয়ে বাইলক নামে একটি মেসেজিং অ্যাপ ব্যবহার করা হয়েছিল।
এরদোগান বলেছেন, ইসিএইচআরের সিদ্ধান্তটি সহ্য করা হবে না। তুরস্ক বিশ্বাসঘাতকদের এই দলের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পিছপা হবে না।
সূত্র: এএফপি