ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

শূকরের হার্ট প্রতিস্থাপনে বাঁচল আরেক ব্যক্তি!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৫:১৯, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩
শূকরের হার্ট প্রতিস্থাপনে বাঁচল আরেক ব্যক্তি!
ছবি: সংগৃহীত

চলতি সপ্তাহে একজন ৫৮ বছর বয়সী ব্যক্তির দেহে জেনেটিক্যালি মডিফাইড শূকরের হৃদপিণ্ড (পিগ হার্ট) ট্রান্সপ্ল্যান্ট করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তিনি বিশ্বের দ্বিতীয় রোগী যার দেহে শূকরের হৃদপিণ্ড প্রতিস্থাপন করা হলো। চিকিৎসা গবেষণার ক্রমবর্ধমান বিকাশের ক্ষেত্রে এটি সর্বশেষ মাইলফলক।

মানুষের মধ্যে পশুর অঙ্গ প্রতিস্থাপন করাকে বলা হয় জেনোট্রান্সপ্লান্টেশন। এটি মানব অঙ্গ দানের দীর্ঘ সংকটের সমাধান দিতে পারে। এক লাখেরও বেশি আমেরিকান বর্তমানে অঙ্গ প্রতিস্থাপনের জন্য অপেক্ষার তালিকায় রয়েছে।

ইউনিভার্সিটি অফ মেরিল্যান্ড শুক্রবার এক বিবৃতিতে বলেছে, উভয় হার্টের প্রতিস্থাপনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন ইউনিভার্সিটি অফ মেরিল্যান্ড স্কুল অফ মেডিসিনের বিশেষজ্ঞদল। প্রথম রোগী গত বছর তার ট্রান্সপ্লান্টের দু’মাস পরে ‘অপারেশনের আগে তার স্বাস্থ্যের খারাপ অবস্থাসহ অনেক জটিলতার কারণে মারা গিয়েছিল।

Advertisement

সর্বশেষ অপারেশনটি বুধবার হয়েছে, রোগী লরেন্স ফাসেট বিদ্যমান ভাস্কুলার রোগ এবং অভ্যন্তরীণ রক্তপাতের জটিলতার কারণে দান করা মানব হৃদপিণ্ড গ্রহনের জন্য অযোগ্য ছিলেন। দুই সন্তানের বাবা এবং নৌবাহিনীর সদস্য লরেন্স ফাসেট প্রায় হৃদযন্ত্র বিকল হওয়ার মুখোমুখি হয়েছিলেন।

লরেন্স ফাসেটের বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলা হয়, আমার একমাত্র আসল আশা বাকি আছে শূকরের হৃদপিণ্ড প্রতিস্থাপন, জেনোট্রান্সপ্লান্টের সাথে যাওয়া। অন্তত এখন আমার আশা আছে এবং আমার একটি সুযোগ আছে।

বিশ্ববিদ্যালয় বলেছে, ট্রান্সপ্ল্যান্টের পরে ফ্যাসেট নিজে থেকে শ্বাস নিচ্ছিল এবং সহায়ক যন্ত্রের কোনো সহায়তা ছাড়াই নতুন হৃদপিণ্ড ভালভাবে কাজ করছিল। ট্রান্সপ্ল্যান্টের পরে তিনি প্রচলিত এন্ট্রি-রিজেকশন ওষুধ সেবনের পাশাপাশি একটি নতুন অ্যান্টিবডি থেরাপি গ্রহণ করছিলেন যাতে তার শরীরের নতুন অঙ্গের ক্ষতি বা প্রত্যাখ্যান না হয়।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএএইচ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!