গত রোববার (২৭ আগস্ট) দেশটির মধ্যপ্রদেশের সাগর জেলায় এ ঘটনা ঘটেছে।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়, নয়জন মূল অভিযুক্তের বিরুদ্ধে থানায় হত্যার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। আট জনকে এরইমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে।
.png)
পুলিশ সূত্রে খবর, নিহত দলিত তরুণের ১৮ বছর বয়সী বোন ২০১৯ সালে কয়েক জনের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ তুলেছিল। তা নিয়ে আদালতেও মামলা শুরু হয়।
তরুণের মায়ের দাবি, তারপর থেকেই তাদের পরিবারকে মামলা তুলে নেয়ার জন্য হুমকি দেওয়া হতে থাকে। রোববার কয়েকজন মিলে তাদের বাড়িতে গিয়ে তার ছেলেকে মারধর করতে শুরু করেন বলে নারীর দাবি।
তিনি বলেন, ‘আমার চোখের সামনে ছেলেটাকে পিটিয়ে মেরে ফেলছিল ওরা। আমি বাধা দিতে গেলে আমার শাড়ি টেনে খুলে দেয়। আমার মেয়েকেও মারধর করতে বাদ রাখেননি। আমাদের ঘরে ঢুকে সব তছনছ করে দিয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমার ছেলেটাকে আর বাঁচানো গেল না। পুলিশ খবর পেয়ে পরে এসেছিল। আমাকে ওই অবস্থায় দেখে একটি গামছা দেওয়া হয়। ওই গামছা জড়িয়েই কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে ছিলাম আমি। পরে কেউ এক জন শাড়ি এনে দেন।’
এই ঘটনা ঘিরে চলছে রাজনৈতিক উত্তেজনা। বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গে দলিত এবং আদিবাসী সম্প্রদায়ের প্রতি অত্যাচারের জন্য বিজেপি সরকারের দিকে আঙুল তুলেছেন। অন্যদিকে, বিজেপির দাবি, ঘটনাটির পর কংগ্রেস হাত গুটিয়ে বসেছিল। যা পদক্ষেপ করার বিজেপির পক্ষ থেকেই করা হয়েছে।
রাজ্য প্রশাসন সূত্রে খবর, মৃতের পরিবারকে যথাসম্ভব আর্থিক সহায়তা করা হয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি, আনন্দবাজার