বুধবার (১৬ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে উত্তর কোরিয়ার সরকারি বার্তা সংস্থা কেসিএনএ জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ও সেনাবাহিনীতে ‘অমানবিক আচরণ এবং বর্ণ বৈষম্যের’ কারণে তিনি রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন।
গত জুলাই মাসে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে সীমান্ত অতিক্রম করে উত্তর কোরিয়ায় প্রবেশ করেন ২৩ বছর বয়সি ট্রাভিস কিং।
.png)
কেসিএনএ বলেছে, ‘তদন্তের সময়, ট্র্যাভিস কিং স্বীকার করেছেন যে, মার্কিন সেনাবাহিনীর মধ্যে অমানবিক আচরণ এবং জাতিগত বৈষম্যের বিরুদ্ধে খারাপ অনুভূতি পোষণ করায় তিনি উত্তর কোরিয়ায় প্রবেশের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।’
কেসিএনএ আরো জানিয়েছে, ‘ট্রাভিস উত্তর কোরিয়া বা তৃতীয় কোনও দেশে শরণার্থী হিসাবে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। কারণ, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বেষম্যপূর্ন সমাজে মোহভঙ্গ হয়েছিলেন।’
পেন্টাগনের এক মুখপাত্র বলেছেন, ‘আমরা ট্রাভিসের নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের দিকে মনোনিবেশ করছি। সামরিক বিভাগের অগ্রাধিকার হলো তাকে দেশে ফিরিয়ে আনা এবং আমরা সেই ফলাফল অর্জনের জন্য সমস্ত সম্ভাব্য চ্যানেলের মাধ্যমে কাজ করছি।’
ট্রাভিস উত্তর কোরিয়ার সীমান্ত অতিক্রম করার আগে হামলার অভিযোগে দক্ষিণ কোরিয়ার কারাগারে দুই মাস আটক ছিলেন।
শাস্তিমূলক কার্যক্রমের মুখোমুখি হওয়ার জন্য তার যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, তিনি সিউলের বিমানবন্দর ছেড়ে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়াকে পৃথককারী ডিমিলিটারাইজড জোন সফরে যোগদান করতে সক্ষম হন এবং সুযোগ বুঝে উত্তর কোরিয়ায় ঢুকে পড়েন।
কেসিএনএ জানিয়েছে, ট্র্যাভিসকে কোরিয়ান পিপলস আর্মির সেনাদের নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে এবং এখনও তদন্ত চলছে।