এসব উপকরণগুলোর মধ্যে রয়েছে স্বর্ণালঙ্কার, রত্মপাথর ও গ্লাস। সেগুলো মিউজিয়ামে দর্শণার্থীদের জন্য উন্মুক্ত ছিল না। বেশিরভাগ সামগ্রীই অ্যাকাডেমিক ও গবেষণার কাজে একটি স্টোর রুমে সংরক্ষিত ছিল।
সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ঐতিহাসিক এই উপাদানগুলোর হদিস না মেলায় এক কর্মীকে বরখাস্তের পাশাপাশি লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
.png)
বুধবার (১৬ আগস্ট) ব্রিটিশ মিউজিয়ামের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ওই ঘটনায় তারা মিউজিয়ামের নিরাপত্তার বিষয়টি স্বাধীনভাবে পর্যালোচনা করছে। এক কর্মীকে বরখাস্ত করা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি মেট্রোপলিটন পুলিশের ইকোনমিক ক্রাইম কমান্ড তদন্ত করছে।
মেট্রোপলিটন পুলিশ বলেছে, “ব্রিটিশ মিউজিয়াম কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি আমরা কাজ করছি। একটি তদন্ত এখন চলছে। এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি এবং অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে। এই মুহূর্তে এর বেশি কোনো তথ্য আমরা দেব না।”
সংগ্রহশালা থেকে মূল্যবান প্রত্ন সামগ্রী উধাও হওয়ায় বিস্মিত ব্রিটিশ মিউজিয়ামের পরিচালক হার্টউইগ ফিশার বলছেন, ঘটনাটি ‘অত্যন্ত অস্বাভাবিক’।
“যা ঘটেছে তার জন্য দুঃখ প্রকাশ করছে মিউজিয়াম কর্তৃপক্ষ। খুঁজে না পাওয়া সামগ্রীগুলো ফিরিয়ে আনতে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। ইতোমধ্যে আমরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছি। পাশাপাশি কোন কোন সামগ্রীর হদিস পাওয়া যাচ্ছে না বা চুরি হয়ে গেছে তার সুনির্দিষ্ট হিসাব পেতে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কাজ করছি।”
ব্রিটিশ মিউজিয়ামের সভাপতি জর্জ অসবর্ন বলেন, চলতি বছরের শুরুতে সংগ্রহশালার কিছু সামগ্রী চুরি হওয়ার খবর পেলে ট্রাস্টিরা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরিস্থিতি সামলাতে তারা জরুরি পদক্ষেপ নিয়েছেন।
“নিরাপত্তা বাড়াতে আমরা পুলিশকে জরুরি পদক্ষেপ নিতে বলেছি। ঘটনার ব্যাপারে একটি স্বাধীন পর্যালোচনা করছি। ঘটনার সঙ্গে দায়ী ব্যক্তিকে খুঁজে পেতে আমরা বিভাগীয় সমস্ত শক্তিকে কাজে লাগাচ্ছি।”
তিনি জানান, ব্রিটিশ মিউজিয়াম কর্তৃপক্ষের প্রথম কাজ এখন চুরি যাওয়া সামগ্রীগুলো উদ্ধার করা, এমন ঘটনা রোধে পদক্ষেপ খুঁজে বের করা এবং এ ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না তা নিশ্চিত করা।
সূত্র: বিবিসি