সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, সকলের পরিচয় নিশ্চিত হতে অন্তত কয়েক সপ্তাহ সময় লেগে যাবে।
হাওয়াইর গভর্নর নিজেও নিহতদের পরিচয় বের করাকে ‘কঠিন’ বলে মন্তব্য করেছেন। নিখোঁজ স্বজনদের পরিনতি জানতে সব ধরণের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন হাওয়াইর মাউই দ্বীপের বাসিন্দারা।
.png)
মঙ্গলবার প্রথমবারের মত আগুনে নিহত দুইজনের নাম প্রকাশ করা হয় বলে জানায় বিবিসি। তারা হলেন ৭৪ বছরের রবার্ট ডিকম্যান এবং ৭৯ বছরের বাডি জ্যানটক। কর্তৃপক্ষ আরো তিনজনের পরিচয়ও শনাক্ত করতে পেরেছে। তবে পরিবারকে খবর না দেওয়া পর্যন্ত তাদের নাম প্রকাশ করা হবে না।
এদিকে এখনো প্রতিদিনই মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে উদ্ধার হচ্ছে মরদেহ। ১৮৫ অনুসন্ধানকারী মরদেহের সন্ধান করছেন। তাদের সঙ্গে আছে ২০টি কুকুর।
চলমান এই দাবানল এরইমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক ইতিহাসের সব থেকে প্রাণঘাতী দুর্যোগের রেকর্ড করেছে। গত এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের মধ্যে এমন ভয়াবহতা দেখেনি দেশটি।
মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে কারণ, এখনও মাউই দ্বীপের বহু এলাকায় অনুসন্ধান চলছে। দাবানলে দ্বীপটির লাহাইনা শহরের বড় একটি অংশ ধ্বংস হয়ে গেছে।
মূলত রিসোর্টের জন্য বিখ্যাত এই দ্বীপটিতে ১২ হাজার মানুষ বাস করতেন। কিন্তু এখন এর বেশিরভাগ এলাকাই ছাই হয়ে গেছে। এর বিশ্ববিখ্যাত হোটেল ও রেস্টুরেন্টগুলো ধ্বংস হয়ে গেছে। গভর্নর জোশ গ্রিন এই দাবানলকে হাওয়াইর ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয় হিসেবে বর্ণনা করেছেন।