ওই বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, হামলায় আরো ২০ সেনা আহত হয়েছেন। তাদের সবাইকে রাজধানী নিয়ামিতে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সেনাবাহিনী বলছে, শতাধিক হামলাকারীকে প্রতিহত করা হয়েছে।
গত এক দশকে মালির মধ্যাঞ্চল, উত্তর বুরকিনা ফাসো এবং পশ্চিম নাইজারের সীমান্ত যেখানে একত্রিত হয়েছে সেই সাহেল অঞ্চলে আল-কায়েদা এবং আইএসআইএল-এর (আইএসআইএস) সঙ্গে যুক্ত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সহিংসতার কেন্দ্রস্থলে পরিণত হয়েছে।
.png)
উত্তর-পূর্ব নাইজেরিয়া থেকে আসা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছে দক্ষিণ-পূর্ব নাইজারও। ২০১০ সালে সেখানে বোকো হারামের তৎপরতা শুরু হয়।
এর আগে প্রতিবেশী নাইজেরিয়ায় চোরাগোপ্তা হামলায় নিরাপত্তা বাহিনীর কমপক্ষে ২৬ সদস্য নিহত হয়। আহত হয় আরো ৮ সদস্য। স্থানীয় সময় রোববার রাতে নাইজেরিয়ার মধ্যাঞ্চলে ওই হামলার ঘটনা ঘটে।
এদিকে বিমানবাহিনীর এক মুখপাত্র জানান, সোমবার সকালে একটি হেলিকপ্টার ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত সেনাদের উদ্ধার করে। সেখানে তখন সেনাসদস্যের সঙ্গে অপরাধী গ্রুপের লড়াই চলছিল। ওই হেলিকপ্টারের ক্রু এবং যাত্রীরা বেঁচে আছেন কিনা সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি।