এদিকে স্বৈরাচারের হুমকির মুখে তাইওয়ান পিছপা হবে না বলে মন্তব্য করেছেন ভূখণ্ডটির ভাইস প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম লাই। একইসঙ্গে তাইওয়ান নিরাপদ থাকলে বিশ্ব নিরাপদ থাকবে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
জানা গেছে, স্থানীয় সময় শনিবার উইলিয়াম লাই নিউইয়র্ক শহরে প্রবেশের পরপরই চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতি প্রকাশ করে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তাইওয়ানের স্বাধীনতার ব্যাপারে লাই কঠোরভাবে বিচ্ছিন্নতাবাদী অবস্থান নিয়েছেন এবং তিনি পুরোদস্তুর একজন বিরক্তিকর ব্যক্তিতে পরিণত হয়েছেন।
.png)
সংক্ষিপ্ত এই সফরে রোববার নিউইয়র্কে একটি মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন লাই। সেখানে তিনি বলেন, যদি তাইওয়ান নিরাপদ থাকে, তাহলে বিশ্ব নিরাপদ। যদি তাইওয়ান প্রণালী শান্তিপূর্ণ থাকে, তবে বিশ্ব শান্তিপূর্ণ থাকবে।
চীনের নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, আমরা সঠিক পথেই রয়েছি। স্বৈরাচারের ক্রমবর্ধমান হুমকির কারণে ভয় পাবেন না এবং পিছপা হবেন না। তাইওয়ানকে গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে নিতে আমাদের অবশ্যই সাহসী এবং শক্তিশালী হতে হবে।
সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের তথ্যানুযায়ী, নিউ ইয়র্কে সাময়িক অবস্থানের পর তাইওয়ানের ভাইস প্রেসিডেন্ট প্যারাগুয়ে সফরে যাবেন বলে কথা রয়েছে। সেইসঙ্গে তিনি বুধবার তাইওয়ানে ফিরে আসার সময় যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিস্কো শহরে যাত্রাবিরতি করবেন।
চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বেইজিং তাইওয়ানের বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাদের যুক্তরাষ্ট্রে যেকোনো ধরনের সফরের বিরোধী। তাইওয়ানকে ‘চীনা মূল স্বার্থের কেন্দ্রবিন্দু’ আখ্যায়িত করে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, স্বাধীনতা অর্জনের জন্য স্ব-শাসিত দ্বীপ তাইওয়ানের নেতাদের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভর করার প্রচেষ্টা তাইওয়ান প্রণালিতে উত্তেজনা সৃষ্টির প্রধান কারণ।
চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চীন ঘনিষ্ঠভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনে নিজের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা রক্ষা করার জন্য দৃঢ় ও শক্তিশালী পদক্ষেপ নেবে।