১৫ দিন আগে শিশুটিকে নিয়ে তার মা, বাবা কেওলারি গ্রামে আত্মীয়ের বাড়িতে আসেন। সেখানে শিশুটিকে একটি কুকুর কামড়ায়। তবে কুকুরে কামড়ানোর পরও শিশুটিকে কোনো চিকিৎসকের কাছে না নিয়ে গিয়ে এক হাতুড়ে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রত্যাশিত ভাবেই সেই চিকিৎসায় কোনো কাজ হয়নি।
গ্রামে ফেরার পর থেকেই শিশুর শরীরে জলাতঙ্ক রোগের লক্ষণ দেখা দিতে শুরু করে। যদিও তাকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়নি পরিবার। তার পরের কয়েক দিনে শিশুটি গ্রামের অন্তত ৪০ জনকে কামড়ে এবং আঁচড়ে দেয়। গত শুক্রবার শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। তখন তাকে তড়িঘড়ি জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থা দেখে জেলা হাসপাতাল পাঠায় ঝাঁসির বড় হাসপাতালে। গত সোমবার শিশুটির মৃত্যু হয় হাসপাতালেই।
.png)
এ দিকে গ্রামে অন্তত ৪০ জন ওই শিশুর কামড় খেয়েছেন। তারা আশঙ্কার মধ্যে দিয়ে দিন কাটাচ্ছেন। যদিও স্বাস্থ্য অধিকর্তা দীনেশ বারদারিয়া জানিয়েছেন, কেওলারি গ্রামে ৪০ জনেরও বেশি মানুষ জলাতঙ্ক রোগের ওষুধের জন্য এসেছিলেন। তিনি বলছেন, ভয়ের কোনো কারণ নেই। আমাদের কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ইঞ্জেকশন মজুত আছে। যার প্রয়োজন, তাকেই তা দেওয়া হবে।