ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

নতুন প্রজাতির হাঙরের সন্ধান পেলেন বিজ্ঞানীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ২০:০৩, ১৭ জুলাই ২০২৩
নতুন প্রজাতির হাঙরের সন্ধান পেলেন বিজ্ঞানীরা
নতুন প্রজাতির হাঙর - ফাইল ছবি

সমুদ্রের নিচে প্রতিনিয়তই নতুন প্রজাতির সব জীবের সন্ধান করে চলেছেন বিজ্ঞানীরা। ১৯৮০-এর মাঝামাঝি সময়ে বিজ্ঞানীরা প্রায় ৩৬০ প্রজাতির হাঙর আবিষ্কার করেছিলেন, যার মধ্যে ‌গভীর সমুদ্রের ২০ সেন্টিমিটারের বামন লণ্ঠনশার্ক থেকে বিশাল প্ল্যাঙ্কটন খাওয়া তিমি হাঙরও ছিল।

কিন্তু এই ৪০ বছরে আবিস্কৃত হয়েছে আরো নতুন নতুন হাঙর। নতুন প্রজাতির হাঙরের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৪০ শতাংশ। বর্তমানে সমুদ্রের তলদেশে প্রায় ৫০০ প্রজাতির হাঙরের সন্ধান পাওয়া গেছে।

সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, ১৯৮৯ সালে পূর্ব তিমুর সাগরের একটি মহাদেশীয় শেলফের প্রান্তে অবস্থিত রাউলি শোলসে একটি অদ্ভুত ধরনের ‘মারমেইডের পার্স’ খুঁজে পাওয়া যায়, যা মূলত একটি চামড়ার ডিমের কেস ছিল। কিছু প্রজাতির হাঙর আছে যারা বাচ্চা জন্ম দেয়ার পরিবর্তে এ ধরনের ডিম পাড়ে। এটি ছিল সে ধরনেরই একটি হাঙরের ডিম।

Advertisement

চলতি বছর এই প্রজাতির বৈজ্ঞানিক নাম আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানীরা। গেল এপ্রিলে জার্নাল অব ফিশ বায়োলজিতে এই নাম উন্মোচন করা হয়েছিল। এই নতুন জাতের দানব ক্যাটশার্কের বৈজ্ঞানিক নাম ‘এপ্রিস্টুরাস ওভিকোরোগাটাস’। সমুদ্রের প্রায় ৭০০ মিটার নিচে এই প্রজাতি ডিম পাড়ে।

তবে এই দানব ক্যাটশার্কই কেবল হাঙরের নতুন প্রজাতি নয়। গত বছর নতুন আরেক ধরনের ‘হর্ন হাঙর’ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার হোবার্টে কমনওয়েলথ সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ অর্গানাইজেশনের (সিএসআইআরও) অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ফিশ কালেকশনের সিনিয়র কিউরেটর উইল হোয়াইট।

তিনি জানান, গত বছর পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার কাছে আশ্চর্যজনকভাবে গভীর জলে ধরা পড়ে এই হাঙর। হর্ন হাঙরগুলো অগভীর জলে বাস করতে পছন্দ করে। প্রায়ই তারা সমুদ্রের তলায় বসে থাকে। তবে এই নতুন প্রজাতিটি ১৫০ মিটার নিচে পাওয়া গেছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/মাহাদী
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!