ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

এবার সুইমিং পুলে ঊর্ধ্বাঙ্গ অনাবৃত রেখে নামতে পারবেন নারীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৫:৩২, ২৮ জুন ২০২৩
এবার সুইমিং পুলে ঊর্ধ্বাঙ্গ অনাবৃত রেখে নামতে পারবেন নারীরা
ছবি: সংগৃহীত

স্পেনের কাতালুনিয়া রাজ্যের রাজধানী বার্সেলোনায় পুরুষদের মতো নারীরাও এখন ঊর্ধ্বাঙ্গ অনাবৃত রেখে নামতে পারবেন সুইমিং পুলে।

পাবলিক সুইমিং পুলে নারীদের জন্য আলাদা বিধিনিষেধ না রাখতে এমন নির্দেশনা দিয়েছে স্পেনের কাতালুনিয়া রাজ্য সরকার।

সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, বার্সেলোনাসহ কাতালুনিয়ার বিভিন্ন শহর ও নগর কর্তৃপক্ষকে এই নির্দেশনা দেওয়ার পর তা জয় হিসেবে উদযাপন করছেন সেখানকার অধিকারকর্মীরা।

Advertisement

২০২০ সালের কাতালান সমতার আইনে নারীদের ঊর্ধ্বাঙ্গ নিরাভরন রাখার অধিকারের বিষয়টি অন্তর্ভূক্ত। তার আলোকে দেওয়া নির্দেশনায় বলা হয়, পাবলিক সুইমিং পুলে নারীদের অবশ্যই ঊর্ধ্বাঙ্গের পোশাক খোলার স্বাধীনতা থাকা উচিৎ।

তিন বছর আগে ওই আইন প্রণয়নের পরও সুইমিং পুলে নারীদের ‘টপলেস’ হওয়ার চর্চাকে বাধা দিচ্ছিল কিছু নগর কর্তৃপক্ষ। এরপর থেকে গ্রীষ্মে কয়েক ডজন অভিযোগ ওঠে।

সেই কারণেই স্থানীয় কর্তৃপক্ষগুলোকে এখন নারীদের প্রতি যে কোন ধরনের বৈষম্য বন্ধের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

কাতালান সরকারের সাম্য ও নারীবাদ বিভাগ এক চিঠিতে জানিয়েছে, নারীদের টপলেস হওয়ার অধিকারে বাধা দেওয়ার বিষয়টি গোটা জনসংখ্যার একটি অংশকে বিচ্ছিন্ন করে এবং এটা তাদের স্বাধীনতা খর্ব করে।

চিঠিতে বলা হয়, লিঙ্গ ও যৌনতা, ধর্মীয় বিশ্বাস বা পোশাকসহ যে কোনো উদ্দেশ্যে এই বৈষম্য প্রতিরোধ করতে হবে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে।

পাশাপাশি ব্রেস্টফিডিংসহ সম্পূর্ণ শরীর আবৃত করে গোসলের পোশাকেরও অনুমতি দেওয়া হবে, যাতে মুসলিমদের ‘বুরকিনি’ও অন্তর্ভূক্ত থাকবে।

কাতালান সাম্য বিভাগের এক মুখপাত্র স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ওই চিঠিটি কেবল একটি ‘রিমাইন্ডার’; তবে মিউনিসিপ্যালগুলোর জন্য তা বাধ্যতামূলক।

ফলে এই নির্দেশনার ব্যত্যয় ঘটলে যেকোন টাউন হলকে ৫ লাখ ইউরো পর্যন্ত জরিমানা করতে পারে স্বাধীনতাপন্থী কাতালান রিপাবলিকান লেফট (ইআরসি) নেতৃত্বাধীন আঞ্চলিক সরকার।

এর আগে অনেক টাউন হলের বিরুদ্ধে সুইমিং পুলে টপলেস হওয়ার অনুমতি না দেওয়ার অভিযোগ করে ‘মুগ্রনস লিউরেস’ নামের একটি নারীবাদী দলের সদস্যরা।

এই দলের মুখপাত্র মারিওনা ট্রাবাল বলেন, “এটি লিঙ্গ সমতার একটি ইস্যু। পুরুষরা (পোশাক খুলতে) পারে, কিন্তু নারীরা পারে না।”

নতুন নির্দেশনার প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, “আমরা জানি না, কেন তারা এত সময় নিয়েছে, তবে আমরা খুব খুশি।”

ডেইলি-বাংলাদেশ/মাহাদী
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!