ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

মিয়ানমারে ঘূর্ণিঝড় মোখার তান্ডবে মৃত বেড়ে ২৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:৩৯, ১৬ মে ২০২৩
মিয়ানমারে ঘূর্ণিঝড় মোখার তান্ডবে মৃত বেড়ে ২৯
সংগৃহীত

গতকাল ঘূর্ণিঝড় মোখার তান্ডবে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে মিয়ানমার। ঘূর্ণিঝড় মোখার আঘাতে বিধ্বস্ত হয়েছে রাখাইন রাজ্য। এ ঘটনায় দেশটিতে এখন পর্যন্ত পাঁচজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৯ জনে দাঁড়িয়েছে। 

বঙ্গোপসাগরে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশের কক্সবাজার এবং মিয়ানমারের সিত্তের মধ্যবর্তী অঞ্চলে ঘণ্টায় ১৯৫ কিলোমিটার বেগে রোববার(১৪ মে) সন্ধ্যায় আঘাত হানে মোখা, যা এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে উপকূলে আঘাত হানা সবচেয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়।

তবে দেশটির সামরিক জান্তা সরকার এর আগে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মিয়ানমারে ঘূর্ণিঝড়ের কবলে কমপক্ষে পাঁচজন নিহত হয়েছেন এবং কিছু বাসিন্দা আহত হয়েছেন। তবে বিবৃতিতে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

Advertisement

মিয়ানমারের সিত্তের উত্তর-পশ্চিমে খাউং ডোকে কার গ্রামে অন্তত ২৪ জন নিহত হয়েছেন। তবে দেশটির জান্তা প্রতিশোধের ভয়ে নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়েছেন ওই রোহিঙ্গা। তিনি বলেন, নিচু এলাকা, রোহিঙ্গা গ্রাম ও আইডিপি ক্যাম্পে আরো কয়েকজন নিখোঁজ থাকার খবর পাওয়া গেছে।

আরো পড়ুন>> আপাতত ইউক্রেনকে জঙ্গিবিমান দিচ্ছে না ফ্রান্স

রাজধানী সিত্তের একটি আশ্রয়কেন্দ্রে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে দায়িত্বরত টিন নিনও বলেছেন, সিত্তের তিন লাখ বাসিন্দাদের মধ্যে চার হাজারের বেশি মানুষকে অন্য শহরে সরিয়ে নেয়া হয়েছে এবং ২০ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয় রাখা হয়েছে।

স্বেচ্ছাসেবক সংগঠন দ্য রাখাইন ইয়ুথস ফিলানথ্রোপিক অ্যাসোসিয়েশনের এক নেতা বলেন, ‘মিয়ানমারের কয়েকটি শহরের উচ্চভূমিতে বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে ২০ হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। তীব্র ঝড়ো বাতাসে তাদের মধ্যে ৭০০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।’

রোববার সন্ধ্যার দিকে ঝড়টি শিথিল হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়। বাংলাদেশের কক্সবাজারে আশ্রয় নেয়া প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গার আশ্রয়কেন্দ্র ঝড়ের আঘাত থেকে রক্ষা পায়। সেখানকার কর্মকর্তারা বলেছেন ঝড়ে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে কোনো মৃত্যু হয়নি।

প্রবালদ্বীপ সেন্ট মার্টিনে ৪২০টি নারকেলগাছসহ অন্তত ৩ হাজার গাছ ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ে আহত হয়েছেন ১১ জন। এ ছাড়া জলোচ্ছ্বাসে দ্বীপটির উত্তর পাড়া, পশ্চিম পাড়া ও পূর্ব দিকের কিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। 

সূত্র: এএফপি

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরটি
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!