সম্প্রতি বার্তা সংস্থা রয়টার্স’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।
জেফ্রি বলেন, “আমি বলছি না যে জলবায়ু পরিবর্তন ছোট বিষয়। এটিও অবশ্যই একটি বড় ঝুঁকি। তবে আমার মনে হয় এর চেয়েও বড় ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে এআই।“
.png)
তিনি আরো বলেন, “জলবায়ু বিপর্যয়ে কী করণীয় আমরা জানি। কার্বন পোড়ানো বন্ধ করলে বা কমালেই এ ঝুঁকি হ্রাস করা সম্ভব। কিন্তু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ঝুঁকি মোকাবিলার করণীয় সম্পর্কে আমরা কেউই স্পষ্ট জানি না।“
আরো পড়ুন>> মাদক, সমকামিতা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে এরদোগানের কঠোর হুঁশিয়ারি
গুগলে কয়েক দশক চাকরির পর সম্প্রতি অবসর গ্রহণ করেছেন জেফ্রি। চাকরি ছাড়ার ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই এআইর ঝুঁকি নিয়ে সাবধান করে আসছেন তিনি। এমনকি তার তৈরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে অনুতপ্ত বোধ জানান তিনি।
বিভিন্ন ভাবেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ঝুঁকি নিয়ে বিভিন্ন রকম আশঙ্কা প্রকাশ করছেন তিনি। মানুষের চেয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বেশি দক্ষতা অর্জন করে বিশ্বকে নিয়ন্ত্রণ করা শুরু করলে কী হতে পারে, সে বিষয়ে উদ্বিগ্ন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই গুরু জেফ্রি হিনটন।