ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

প্রেমিকার বাবা-মাকে কুপিয়ে হত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৫:৪৩, ৭ এপ্রিল ২০২৩
প্রেমিকার বাবা-মাকে কুপিয়ে হত্যা
ফাইল ছবি

প্রতিদিন ভারতে ঘটে যায় বিভিন্ন অনাকাঙ্খিত ঘটনা। এ ধরনের খবরে হতবাক হয়ে যায় সাধারণ মানুষ। ঠিক এমনি এক ঘটনা ঘটেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে। প্রেমে বাধা দেওয়ায় প্রেমিকার বাবা-মাকে কুপিয়ে হত্যা করল এক যুবক।

পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারে প্রেমের সম্পর্কে বাধা দেয় প্রেমিকার বাবা-মা। এরই জেরে প্রেমিকার বাড়িতে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে প্রেমিকার বাবা ও মাকে কুপিয়ে হত্যা করে অভিযুক্ত যুবক। তার হামলায় আহত হয়েছেন প্রেমিকা ও তার বোন। 

ভুক্তভোগীদের চিৎকারে এগিয়ে এসে অভিযুক্ত যুবককে ধরে গণপিটুনি দিয়েছে গ্ৰামবাসী। পরে আহত অবস্থায় তাকেও স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শুক্রবার (৭ এপ্রিল) ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারের শীতলকুচি এলাকায়। পরে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এমন ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

Advertisement

যুবকের হামলায় নিহত বিমল বর্মনের বয়স ছিল ৬৮ বছর। তিনি কোচবিহারের তৃণমূল কংগ্রেসের শীতলকুচি ব্লকের সিডিউল কাস্ট (এসসি) সেলের সভাপতি ছিলেন। তার স্ত্রী নির্মলা বর্মন (৫২) গ্ৰাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল কংগ্রেস সদস্য। আহত দুই মেয়ের নাম রুনা বর্মন ও ইতি বর্মন।

আরো পড়ুন>> বাখমুতের কেন্দ্রস্থলে পৌঁছে গেছে রুশ সেনাবাহিনী

জানা যায়, পাশের গ্ৰামের যুবক বিভূতভূষণ রায়ের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন ইতি বর্মন। ইতির পরিবার জেনে যায় প্রেমের কথা। কিন্তু বিমল বর্মন তার মেয়ের এই সম্পর্ক কিছুতেই মেনে নেয়নি। আর তাই শুক্রবার বিমল বর্মনের বাড়ির দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে প্রেমিকার বাবা-মাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন বিভূতভূষণ রায়। আর তাকে বাধা দিতে গিয়ে আহত হন রুনা ও ইতি।

স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ইতির বাবা-মাকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত দুই বোনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় রুনা বর্মনের।

এরই মধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কোচবিহার পুলিশ। পুলিশ বলেছে তদন্তের পর এই বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে। অভিযুক্ত যুবককে কারাগারে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

সূত্র: এই সময়

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরটি
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!