শুক্রবার (৩১ মার্চ) জাতীয় উদ্দেশে দেয়া ভাষণে লুকাশেঙ্কো বলেন, ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যকার শান্তি আলোচনা তিনি সমর্থন করেন। এছাড়া মধ্যস্ততার প্রস্তাবও দেন বেলারুশ প্রেসিডেন্ট।
তিনি বলেন, ‘সংঘাত আরো বাড়ার আগে আমাদের অবশ্যই তা বন্ধ করতে হবে। আমি শত্রুতার অবসানের বিষয়ে কথা বলার ঝুঁকি নিতে ইচ্ছুক। সমস্ত আঞ্চলিক, পুনর্গঠন, নিরাপত্তা ও অন্যান্য বিষয়গুলো কোনো পূর্বশর্ত ছাড়াই আলোচনার টেবিলে সমাধান করা যেতে পারে।’
.png)
তবে, বেলারুশের প্রেসিডেন্টের প্রস্তাবের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাশিয়া তা প্রত্যাখ্যান করে। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানান, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও বেলারুশের প্রেসিডেন্ট লুকাশেঙ্কো আগামী সপ্তাহে বৈঠক করবেন। কিন্তু এই মুহূর্তে যুদ্ধ বিরতি হলে তাদের যে বিশেষ সামরিক অভিযান সেখানে চলছে, তার লক্ষ্য অর্জিত হবে না। যে পরিকল্পনা নিয়ে অভিযান চলছে, তা অধরা থেকে যাবে।
আরো পড়ুন>> মার্কিন প্রেসিডেন্টদের ভয়াবহ সব মিথ্যাচার ও প্রতারণা
পেসকভ শুধু প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার কথা বলেছেন, তা নয়। চীনের প্রস্তাব কেন বাস্তবায়িত হয়নি তার কারণও ব্যাখ্যা করেন। তার মতে, ইউক্রেনের ব্যর্থতা চীনের শান্তি প্রস্তাব বাস্তবায়ন অসম্ভব করে তুলেছে।
এদিকে, যুদ্ধ বিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেও বেলারুশ রাশিয়ার কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র তার ভূখণ্ডে রাখতে সম্মত হয়েছে।
লুকাশেঙ্কো জানিয়েছেন, মস্কোর সাথে মিত্রতার বিষয়ে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেবে মিনস্ক।
সূত্র: দ্য মস্কো টাইমস